পশ্চিমবঙ্গ

তৃণমূলই শুভেন্দুকে বিজেপিতে পাঠিয়ে ছাড়বে, দিলীপের মন্তব্যে জোর জল্পনা

কলকাতা, ০১ নভেম্বর- শাসকদল তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে শুভেন্দুর। দীর্ঘদিন হয়ে গিয়েছে সে অর্থে তৃণমূলের ব্যানারে কোনও অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি শুভেন্দুকে। যে সমস্ত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন তিনি, সেখানে একবারের জন্যেও তৃণমূলের নাম বলতে শোনা যায়নি। ফলে শুভেন্দুকে নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে।

সম্প্রতি তাঁর বিজেপিতে যোগ নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। যদিও তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু বলেননি যুবরাজ। এরই মধ্যে সরাসরি বিজেপিতে যোগদানের কথা বলে রাখলেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

শুধু তাই নয়, তৃণমূলের মন্ত্রীকে নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে চলা জল্পনা এবার আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

তাঁর মন্তব্য, তৃণমূলই শুভেন্দুকে বিজেপিতে পাঠিয়ে ছাড়বে। তাঁর এই মন্তব্যে আরও জল্পনা তৈরি হয়েছে। যদিও গত কয়েকদিন আগে ববি হাকিম শুভেন্দুকে নিয়ে বলেন, শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গিয়ে বিজেপি তাদের রাজ্য সদর দফতর মুরলিধর সেন স্ট্রিটে বসাক। এহেন মন্তব্যেরই সূত্র ধরে এহেন পালটা মন্তব্য দিলীপ ঘোষের।

এদিন দিলীপ ঘোষ আরও বলেন যে, ”আমরা দরজা বড়ো করে খুলে রেখেছি সবাইকে নেওয়ার জন্য। ওনারা যদি কাউকে পাঠিয়ে দেন আমরা দলে নেব। একজন রাজনীতিবিদ রাজনীতি করতে চাইলে বিজেপি সুযোগ দেবে। আমার সঙ্গে অবশ্য কারও কোনো আলোচনা এখনও হয়নি।” অন্যদিকে, ববি-শুভেন্দুর বাকযুদ্ধ নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ”সেটা ওদের পার্টির ভিতরে চলছে। আমার কিছু বলার নেই। তারাই মিটিয়ে নিক নিজেদের ব্যাপার।”

অন্যদিকে, প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতা ও রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে তাদের দলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানালেন বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

রবিবার সকালে দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক অরবিন্দ মেননকে সঙ্গে নিয়ে বিষ্ণুপুর শহরের ছিন্নমস্তা মন্দিরে পুজো দিয়ে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের বলেন, ‘মানুষের জন্য কাজ করতে চান, তাহলে পিসি ভাইপোর তৃণমূল ছেড়ে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দিন’। একই সঙ্গে তিনি এই মন্দির থেকে শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশ্যে ‘দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে’ বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আবেদন জানান সৌমিত্র।

শুধু বিজেপি সাংসদই নয়, রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপিতে যোগদান নিয়ে যে চর্চা চলছে সেবিষয়ে সাংবাদিকদের তরফে মুকুল রায়কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘বিজেপি হলো পৃথিবীর বৃহত্তম রাজনৈতিক দল’।

এরপরেই নিজের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আমিও তৃণমূলে ছিলাম। প্রায় সাড়ে তিন-চার বছর হলো বিজেপিতে যোগ দিয়েছি, দল সম্মান দিয়েছে, কাজ করার সুযোগ দিয়েছে, এই মুহূর্তে আমি দলের সহ সভাপতি। এরপরেই শুভেন্দু অধিকারীর নাম না করে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন মুকুল রায়।

তিনি আরও বলেন, ‘যারা মানুষের উপকার করতে চায় প্রত্যেককেই স্বাগত’।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।

সূত্র: কলকাতা২৪
আডি/ ০১ নভেম্বর

Back to top button