জাতীয়

জিয়াউর রহমানের ৮৬তম জন্মবার্ষিকী আজ

ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি – বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৬তম জন্মবার্ষিকী আজ। তিনি ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগমারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অধিষ্ঠিত হন। তিনি ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন। জিয়াউর রহমান চার বছর দেশ শাসন করার পর ১৯৮১ সালের ৩০ মে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে চট্টগ্রামে নির্মমভাবে নিহত হন।

দলের প্রতিষ্ঠাতার জন্মবার্ষিকীতে বুধবার সকাল ১১টায় দলটির জাতীয় নেতৃবৃন্দ শেরেবাংলা নগরস্থ জিয়ার সমাধিতে ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পার্ঘ অর্পণ করবেন এবং দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।

জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দৈনিক সংবাদপত্রে ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে এবং ইতোমধ্যে পোষ্টার প্রকাশ করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বিএনপির উদ্যোগে কেন্দ্রীয়ভাবে আজ ঢাকায় দুপুর ২টায় রমনাস্থ ইন্সটিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

শহীদ জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ড্যাব ১৯ জানুয়ারী এবং বিএনপির পক্ষ থেকে চিকিৎসকরা আগামী ২০ জানুয়ারী সকাল ৯টা থেকে নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করবে।

এছাড়া সারাদেশে বিভিন্ন পর্যায়ের ইউনিটগুলো নিজেদের সুবিধানুযায়ী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৬তম জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনে উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বাণীতে বলেন, সিপাহী-জনতার মহাবিপ্লবের তরঙ্গ স্রোতে জিয়াউর রহমান জাতীয় রাজনীতির প্রধান ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হন। মিথ্যা প্রতিশ্রুতির অপরাজনীতি দ্বারা জনগণকে প্রতারিত করে স্বাধীনতাত্তোর ক্ষমতাসীন মহল যখন মানুষের বাক-ব্যক্তি-স্বাধীনতাকে হরণ করে গণতন্ত্রকে মাটিচাপা দিয়েছিল, দেশকে ঠেলে দিয়েছিলো দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাসে, বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ির আন্তর্জাতিক খেতাবপ্রাপ্তির মতো জাতির এরকম এক চরম দুঃসময়ে ৭ নভেম্বর সৈনিক জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবে শহীদ জিয়া ক্ষমতার হাল ধরেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ জিয়া প্রবর্তিত ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখারও অবিনাশী দর্শন। শহীদ জিয়ার জন্মদিনে তার প্রদর্শিত পথেই আমরা স্বৈরাচারী অগণতান্ত্রিক শক্তির থাবা থেকে মুক্ত হবো ও গণতন্ত্র ফিরে পাবো। আর এর জন্য সর্বশক্তি দিয়ে ‘গণতন্ত্রের মা’ গৃহবন্দী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এন এইচ, ১৯ জানুয়ারি

Back to top button