আইন-আদালত

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আদালতের ৪ নির্দেশনা

ঢাকা, ০১ নভেম্বর- নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর শিক্ষার্থী মো. সাইদুর রহমান পায়েল হত্যা মামলায় হানিফ পরিবহনের ড্রাইভার-হেলপার-সুপারভাইজারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার আগে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চারটি নির্দেশনা দেন বিচারক।

ট্রাফিক আইন অনুযায়ী নিয়ম মেনে গাড়ি চালানো হলে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব বলে বিচারক মনে করেন।

৪ নির্দেশনা-

১. গাড়িচালক, সুপারভাইজার, হেলপারদের গাড়ি চালাতে দেওয়ার আগে তারা মাদক সেবন করেছে কিনা- এজন্য ডোপটেষ্ট করতে হবে। গাড়ি ছাড়ার কাউন্টারে, পধে রাস্তায় বিরতির স্থানে এবং গাড়ি গন্তব্যে পৌঁছার স্থানে অর্থাৎ এই তিন স্থানেই গাড়ির চালক, সুপারভাইজার, হেলপাদের ডোপটেষ্ট করতে হবে।

২. গাড়িচালক, সুপারভাইজার, হেলপারদের প্রায়ই যাত্রীদের সঙ্গে কর্কশ ও অভদ্র আচরণ করেন। এক্ষেত্রে গাড়ির ড্রাইভার, সুপারভাইজার ও হেলপারদের অবশ্যই যাত্রীদের সঙ্গে নম্র ও ভদ্র আচরণ করতে হবে। গাড়িচালক, সুপারভাইজার, হেলপারদের গাড়ি চালানোর বিষয়ে এবং যাত্রীদের সঙ্গে কাউন্সিলিংয়ের বিষয়ে উচ্চতর ট্রেনিং বা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

৩. মহাসড়কে প্রতি তিন কিলোমিটার পর পর গাড়িচালক, সুপারভাইজার, হেলপার ও যাত্রী সাধারণের ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ফ্রি আধুনিক বাথরুম ও টয়লেট স্থাপন করতে হবে। তবে এজন্য বাস মালিকরা সরকারের সড়ক বিভাগের সঙ্গে আলোচনা পূর্বক সরকার নির্ধারিত হারে বার্ষিক চাঁদা দিতে হবে সরকারকে।

৪. মহাসড়কে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে যানবাহন চলাচলের ওপর মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। উল্লেখিত বিষয়গুলোর বিষয়ে বাস মালিক, ড্রাইভার, সুপারভাইজার ও হেলপার এবং যাত্রী সাধারণকে সচেতন হবে হবে বলে উল্লেখ করেন বিচারক।

সূত্র : রাইজিংবিডি
এন এইচ, ০১ নভেম্বর

Back to top button