বিচিত্রতা

বর্জ্য থেকে নান্দনিক ভাস্কর্য!

নীল সমুদ্রের মাঝে অপার সৌন্দর্যের প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন। সারা বছরই দ্বীপটিতে থাকে পর্যটকদের আনাগোনা। উত্তাল তরঙ্গ পাড়ি দিয়ে সেখানে নানা আনন্দ আয়োজনে মেতে ওঠেন ভ্রমণ পিপাসুরা।

সঙ্গত কারণেই মানুষ খাবার-দাবারের ব্যবস্থা সঙ্গে রাখেন সেন্টমার্টিনে গেলে। স্থানীয়ভাবেও চিপস-বিস্কুট, কোমল পানীয়সহ নানা ধরনের খাবার বিক্রি করা হয়। আর এসব খাবারের মোড়কে ক্রমেই ছেয়ে যাচ্ছে প্রবাল দ্বীপটি। কিন্তু সেদিকে কজনার লক্ষ্য! সবাই আনন্দ নিয়েই ব্যস্ত। দ্বীপের পরিবেশ নিয়ে ভাবার যেন কেউ নেই। এরই মধ্যে সচেতনতামূলক একটি প্রশংসনীয় কাজ করেছেন পরিবেশপ্রেমী কিছু মানুষ।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কাজী আহসান হাবীবের তত্ত্বাবধানে সেন্টমার্টিন দ্বীপের সৈকত থেকে অপচনশীল বর্জ্য সংগ্রহ করে দ্বীপের পশ্চিম তীরে ১৮ফিট বাই ১২ ফিট আকারের কোরাল মাছের ভাস্কর্য তৈরি করা হয়েছ।

এতে একদিকে যেমন নান্দনিক শিল্পকর্ম সৃষ্টি হয়েছে, পাশাপাশি অপচনশীল বর্জ সরানোয় পরিস্কার হয়েছে দ্বীপের সৈকত। সবচেয়ে বড় কথা মানুষকে সচেতন করার জন্য মাছের এ ভাস্কর্যটি যেন প্রবাল দ্বীপের বাতিঘর।

এন এইচ, ১২ জানুয়ারি

Back to top button