আইন-আদালত

আদালতে হাজিরা দেননি নূর হোসেনের ভাই-ভাতিজা

নারায়ণগঞ্জ, ১২ জানুয়ারি – আদালতে হাজিরা দেননি নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত প্রধান আসামি নূর হোসেনের ভাই নুর উদ্দিন ও ভাতিজা শাহজালাল বাদল।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে নূর হোসেনসহ তার তিন সহযোগী মাদক মামলায় আদালতে হাজিরা দেন।

এদিন নূর হোসেনের ভাই নুর উদ্দিন ও ভাতিজা শাহজালাল বাদলের হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তারা দুইজন আদালতে উপস্থিত না হয়ে তাদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খোকন সাহার মাধ্যমে টাইম পিটিশন দেন। সেই সঙ্গে আদালত তাদের টাইম পিটিশন মঞ্জুর করেন।

এ বিষয়ে জানতে আইনজীবী অ্যাডভোকেট খোকন সাহার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোনটি কেটে দেন।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান জানান, ২০১৪ সালের ২৯ মে শিমরাইল টেকপাড়া ট্রাক মালিক সমিতির পেছনে অভিযান চালিয়ে ২৯৭৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার তৎকালীন এসআই শওকত হোসেন বাদী হয়ে নূর হোসেনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা করেন। এ মামলায় নূর হোসেনসহ চারজনকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

সেই সঙ্গে এ মামলায় জামিনে থাকা মাসুদ রানা ও জাহাঙ্গীর আলী রিপন সশরীরে উপস্থিত হয়ে হাজিরা দেন। হাজিরা শেষে আদালত আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছয় ভাইয়ের মধ্যে নূর হোসেন চতুর্থ এবং নূর উদ্দিন পঞ্চম। ভাতিজা বাদল ২০১১ ও ২০১৬ সালের নির্বাচনে ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। সাত খুনের পর চাচাদের সঙ্গে এলাকা থেকে পালিয়ে যান। ওই মামলার আদালতে দেওয়া অভিযোগপত্রে তার নাম না থাকায় তিনি ২০১৫ সালে এলাকায় ফিরে আসেন।

ভাতিজা শাহ জালাল বাদল ও ভাই নূর উদ্দিন উভয় একাধিক মামলার আসামি। শাহ জালাল বাদল কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হয়ে আসলেও এবার নতুন করে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসছেন নূর উদ্দিন। তাদের দুইজনেরই প্রতীক ঠেলাগাড়ি।

আর ভোটের মাঠে তাদের দু’জনের পক্ষে নামতেই এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠদের খুঁজে খুঁজে বের করে কাশিমপুর কারাগারের কনডেম সেলে বসেই মোবাইলে যোগাযোগ রাখছিলেন ফাঁসির আসামি নূর হোসেন।

সূত্র : জাগো নিউজ
এন এইচ, ১২ জানুয়ারি

Back to top button