অন্যান্য

মুক্তি পেলেন জোকোভিচ, খেলবেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে

বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা নোভাক জোকোভিচ। অস্ট্রেলিয়ান ওপেন খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় যান তিনি। তবে দুই ডোজ টিকা না নেওয়ায় বিমানবন্দরেই তাকে আটকে দেওয়া হয়। এরপর সিন্ধান্ত নেওয়া হয় তার ভিসা বাতিল করার। কিন্তু সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ‘অযৌক্তিক’ বলে জানিয়েছেন দেশটির একটি আদালত।

এর আগে বিশেষ বিবেচনায় তাকে ভিসা দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু আবার বিমানবন্দরে আটকেও দিয়েছিল দেশটি। শেষ পর্যন্ত নোভাক দ্বারস্থ হয়েছিলেন আদালতের। সেখানে জিতেছেন এই টেনিস তারকা, খেলবেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে।

কয়েক দিন ধরেই মেলবোর্নের একটি কোয়ারেন্টিন কেন্দ্রে আটক ছিলেন জোকোভিচ। তার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, মেলবোর্নে তিনি এসেছিলেন স্বাধীন মেডিকেল প্যানেলের ছাড়পত্র নিয়েই। সেই ছাড়পত্র দেখেই অস্ট্রেলিয়ান ওপেন টেনিসের আয়োজক সংস্থা টেনিস অস্ট্রেলিয়া তাকে টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছিল। সেই ছাড়পত্রের ভিত্তিতেই ভিক্টোরিয়া রাজ্য সরকার তাদের রাজ্যে জোকোভিচকে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছিল।

করোনার এই সময়ে অস্ট্রেলিয়ার ইমিগ্রেশন আইন অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশ করতে হলে প্রত্যেক বিদেশি নাগরিকের করোনার দুই ডোজ টিকা নেওয়া থাকতে হবে। জোকোভিচ বরাবরই করোনার টিকা না নেওয়ার ব্যাপারে সংকল্পবদ্ধ। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে খেলার জন্য তাকে অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশ করার অনুমতি দেওয়ার পর থেকেই দেশটিতে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। প্রশ্ন ওঠে, টেনিস অস্ট্রেলিয়া কিসের ভিত্তিতে তাকে এ টুর্নামেন্টে খেলার অনুমতি দিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন এরপর সোজা জানিয়ে দেন, জোকোভিচ যত বড় টেনিস খেলোয়াড় কিংবা তারকাই হোন না কেন, তাকে অস্ট্রেলিয়ার আইন মানতে হবে। এরপর গত বৃহস্পতিবার মেলবোর্ন বিমানবন্দরে নামার সঙ্গে সঙ্গে ভিসা বাতিল করে তাকে পাঠানো হয় একটি কোয়ারেন্টিন কেন্দ্রে।

আটক থাকা অবস্থাতেই অভিবাসন আদালতে নিজের আইনজীবীর মাধ্যমে ভিসা বাতিল ও তাকে অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশে বাধা দেওয়ার বিরুদ্ধে আবেদন করেন জোকোভিচ। তার আইনজীবীরা জানান, গত ১৬ ডিসেম্বর জোকোভিচ করোনা পজিটিভ হন। এরপর যেহেতু ১৪ দিন অনেক আগেই কেটে গেছে, তাই তার অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে খেলতে কোনো বাধা নেই। আইনজীবীরা আরও জানান, কিছুদিন আগেই করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় তার দুই ডোজ টিকারও আপাতত প্রয়োজন নেই বলে মেডিকেল প্যানেলের ছাড়পত্র জোকোভিচের কাছে আছে।

এদিকে অস্ট্রেলীয় সরকারের আইনজীবী অভিবাসন আদালতে জানান, অভিবাসনমন্ত্রী যেকোনো বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিলের এখতিয়ার রাখেন। তিনি জোকোভিচের ক্ষেত্রেও একই কাজ করেছেন।

সূত্র : আমাদের সময়
এন এইচ, ১০ জানুয়ারি

Back to top button