নাটক

‘সংবাদ আতঙ্ক’ থেকে মুক্তি চান ফারিয়া

ঢাকা, ১০ জানুয়ারি – ‘সংবাদ আতঙ্ক’ থেকে মুক্তি চাইলেন সময়ের আলোচিত মডেল-অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সোমবার (১০ জানুয়ারি) রাতে ফারিয়া তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এমন কথা জানান।

অনুরোধ করে শবনম ফারিয়া বলেন—‘‘এবার একটু দয়া করেন, আপনাদের ‘সংবাদ আতঙ্ক’ থেকে রেহাই দেন। প্রয়োজনে আমাকে বয়কট করেন! তাও একটু মুক্তি দেন। আমি এবং আমার পরিবার ক্লান্ত। প্লিজ।’’

ফারিয়াকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ তাকে ভীষণভাবে হতবাক করে। বিষয়টি উল্লেখ করে এ অভিনেত্রী বলেন, ‘আমাকে নিয়ে কারণে-অকারণে অনেক সংবাদ হয়। কিছু সংবাদ দেখে হাসি, কিছু সংবাদ দেখে রাগ হয়। কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু সংবাদ দেখে কি বলবো খুঁজে পাই না। অবাক হবো, মন খারাপ করবো নাকি ক্ষোভ ঝাড়বো বুঝি না। আর আমরাও নিউজ না পড়ে শিরোনাম দেখে যেসব কমেন্ট করি, আমাদের কী বোধ শক্তি বলতে কিছুই নেই? আমরা কি এতই অবোঝ!’

মনগড়া সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে বলে দাবি করেন ফারিয়া। এ বিষয়ে ‘দেবী’ খ্যাত এই অভিনেত্রী বলেন, ‘অনেকে বলেন, আপু আপনাকে সাংবাদিকরা অনেক ভালোবাসেন তাই এত নিউজ করেন। ভাই, বিশ্বাস করেন, আমার এত ভালোবাসার দরকার নাই। আমি সত্যিই ক্লঅন্ত। আমাকে এবার একটু শান্তিতে থাকতে দেন। আপনাদের এসব মনগড়া সংবাদের পর অপ্রয়োজনীয় এত আলোচনা-সমালোচনা আর ভালো লাগে না!’

দীর্ঘ ৩ বছরের পরিচয়ের পর ২০১৯ সালের শুরুর দিকে বেশ জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে হারুন অর রশীদ অপুর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ফারিয়া। দুই বছর না ঘুরতেই তাদের দাম্পত্য জীবনে বিচ্ছেদ ঘটে। গত বছরের ২৭ নভেম্বর বিচ্ছেদ পত্রে স্বাক্ষর করেন তারা। তখন ফারিয়া বলেছিলেন—‘বনিবনা না হওয়ায় পারস্পরিক সিদ্ধান্তে ডিভোর্স করেছি।’

বিয়েবিচ্ছেদের এক বছর পর গত ১৫ ডিসেম্বর রাতে নিজের ফেসবুকে শবনম ফারিয়া দাবি করেন—তিনি স্বামীর হাতে নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। এমনকি নির্যাতনে তার হাত পর্যন্ত ভেঙেছিল। এমন অভিযোগ করার পর রীতিমতো হতবাক হন তার ভক্তরা। কিন্তু এই অভিযোগ অস্বীকার করেন ফারিয়ার প্রাক্তন স্বামী হারুন অর রশীদ অপু। বরং ফারিয়ার মামা শ্বশুর পাল্টা অভিযোগ করেন তার বিরুদ্ধে। কাদা ছুড়াছুড়ির পর সর্বশেষ পারিবারিকভাবে বিষয়টি সমাধান করেন ফারিয়া-অপু।

এন এইচ, ১০ জানুয়ারি

Back to top button