ক্রিকেট

টেস্ট অভিষেকে নাঈমের শূন্য

ক্রাইস্টচার্চ, ১০ জানুয়ারি – সাদা পোশাকের ক্রিকেটে নাঈম শেখের প্রথম ইনিংস। অথচ অভিষেক রাঙানোর বদলে দুঃস্মৃতি হয়ে রইল। পেসার টিম সাউদির বলে স্রেফ এলোমেলো হয়ে গেলেন। শরীরের ওপর তাক করা বাউন্স। কী বুঝে লাফিয়ে খেলতে চাইলেন? বল টেনে আনলেন উইকেটে। বোল্ড হয়ে ফিরলেন সাজঘরে। তালগোল পাকানো শটে শেষ তার অভিষেক ইনিংস।

নাঈমের টেস্ট ক্যারিয়ার শুরু হলো শূন্য দিয়ে। তিনি শুধু একাই নন, বাংলাদেশের আরো ২৪ ক্রিকেটার নিজেদের অভিষেক টেস্টে রানের খাতা খুলতে পারেননি। তাদের মধ্যে আলমগীর কবির ও কামরুল ইসলাম রাব্বীকে একটু আলাদা করে রাখতে হবে। আলমগীর অভিষেক টেস্টের দুই ইনিংসে রানের খাতা খুলতে পারেননি। রাব্বীরও একই ঘটনা। তবে লম্বা এ তালিকায় লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানদের সংখ্যাই বেশি।

ওপেনার হিসেবে সাইফ হাসান, মাহমুদুল হাসান জয়ের পর নাঈম অভিষেকে শূন্য করলেন। টপ অর্ডারে আছেন তারা তিনজনই। এছাড়া ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এ তালিকায় রয়েছেন জহুরুল ইসলাম, জিয়াউর রহমান, শুভাগত হোম, কাজী নুরুল হাসান, মোহাম্মদ মিঠুন ও সাইফ।

বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি মাথা ব্যথার বড় কারণ। সাইফকে নিয়ে স্বপ্ন বুনেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু ডানহাতি ব্যাটসম্যান হতাশ করেছেন। যুব বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার জয় বড় আশা নিয়ে এসেছেন। অভিষেকে শূন্য করলেও নিউ জিল্যান্ডে প্রথম টেস্টে ৭৮ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেছিলেন। ক্রাইস্টচার্চেও তার খেলার কথা ছিল। কিন্তু ইনজুরির কারণে ছিটকে গেছেন।

তার পরিবর্তে এই টেস্টে অভিষেক হলো নাঈম শেখের। বাংলাদেশের ১০০তম টেস্ট ক্রিকেটার নাঈমের শুরুটা হলো বাজে। সামনের দিনগুলোতে তাকে কঠিন চ্যালেঞ্জ নিতে হবে বলার অপেক্ষা রাখে না।

তবে টেস্ট ক্রিকেটে তার অন্তর্ভূক্তি নিয়ে আছে প্রবল সমালোচনা। টেস্ট অভিষেকের আগে সবশেষ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ম্যাচ খেলেছিলেন ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে। দুটি ইনিংসেই ছিল পেয়ার, মানে দুই ইনিংসেই শূন্য। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ক্যারিয়ার বিবর্ণ। ৬ ম্যাচ ব্যাটিং গড় মাত্র ১৬.৬৩। ফিফটি মাত্র একটি।

সূত্র : আমাদের সময়
এন এইচ, ১০ জানুয়ারি

Back to top button