শিক্ষা

করোনায় ঝরেপড়া শিক্ষার্থীদের তথ্য জানতে চায় মাউশি

ঢাকা, ০৪ জানুয়ারি – করোনায় যেসব শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে, তাদের তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আগামী রোববার স্কুল-কলেজগুলোতে চিঠি পাঠানো হবে।

আগামী ২৯ জানুয়ারির মধ্যে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির তথ্য মাউশিতে পাঠানো হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, এসব তথ্য মাঠ পর্যায় থেকে তুলে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাউশি। এ লক্ষ্যে সোমবার মাউশির মহাপরিচালকের সভাপত্বিতে এক সভা হয়েছে। পরীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের তত্ত্বাবধানে এ জরিপ কাজ শুরু করা হবে।

এ বিষয়ে মাউশির এক কর্মকর্তা বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে সারাদেশে দেড়বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। এ সময় অনেক শিক্ষার্থী এক জেলা থেকে অন্য জেলায় স্থানান্তর হয়েছে। অনেকের বাল্যবিবাহ হয়েছে, কেউ বিভিন্ন পড়াশুনা বাদ দিয়ে অন্য কাজে যুক্ত হয়েছে। সেসব তথ্য জেনেই এ বিষয়ে নতুন উদ্যোগ নেয়া হবে।

জানতে চাইলে পরীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের পরিচালন অধ্যাপক আমির হোসেন বলেন, সারাদেশে কী পরিমাণে শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে, কতজন শিক্ষার্থী স্কুল-কলেজে আসছে না, কতজন পরীক্ষার্থী পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে সেসব তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করা হচ্ছে। আগামী রোববার দেশের সব মাঠ কর্মকর্তা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি নির্দেশনা পাঠানো হবে। তাতে ছক আকারে ইমেইলে তথ্য পাঠাতে বলা হবে। সেটি চূড়ান্ত করতে সোমবার সভা করে প্রশ্নমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, করোনার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সচল হলেও মাধ্যমিক পর্যায়ের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ছিল। তবে মাধ্যমিকে ৯৩ শতাংশ অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিয়েছে। তার পরিপেক্ষিতে বোঝা যাচ্ছে মাধ্যমিকে ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পড়ালেখার মধ্যে রয়েছে। বাকি সাত শতাংশ ঝরে পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এটি আনুমানিক হিসাব। শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার নির্ণয় করতে আগামী ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে তাদের নিজ নিজ শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠাতে বলা হবে।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
এম ইউ/০৪ জানুয়ারি ২০২২

Back to top button