ফ্যাশন

নিজের ডিজাইনের পোশাক পরুন…

পোশাকের ক্ষেত্রে অনেকগুলো মানা, না মানার ব্যাপার থাকে। যাই পরুন না কেন, সেগুলো ঠিকমতো মানাতে পারলেই হতে পারবেন ডিভা। রাস্তার ফুটপাথ থেকে কেনা সস্তার পোশাকও দামি ডিজাইনার পোশাককে হারিয়ে দিতে পারে। উলটো দিকে খুব দামি অভিজাত ব্র্যান্ডের পোশাকও ঠিকভাবে না পরলে জৌলুসহীন মনে হতে পারে। ভালো দর্জিই এক্ষেত্রে আপনাকে বাঁচাতে পারেন। খানিকটা কাটাকুটি করে পোশাকটি একটু অন্যরকম করে নিতে পারলেই ফ্যাশনদুরস্ত হয়ে উঠবে সেই পোশাক। বাড়িয়ে দেবে ফ্যাশন কোশেন্ট। এখানে তেমনই কিছু টিপস্ রইল।

পালটে দিন বোতামগুলো… 
ওয়ার্ড্রোব ঘাটলেই এমন অনেক শার্ট, জ্যাকেট, চিনোস, পোলো বের হবে যেগুলো আপনি আদতেও ব্যবহার করেন না।  নতুন করে পরার উপযোগী করতে কিছুটা পালটে দিন এদের লুক।  পালটে দিন জামাগুলোর বোতাম। বেশ সুন্দর কন্ট্রাস্ট রঙের বোতাম লাগালেই দেখবেন পুরনো পোশাকগুলো  কেমন সুন্দর দেখাচ্ছে। সাদা প্লাস্টিকের বোতাম ফেলে সুদৃশ্য রঙিন বোতামে লাগিয়ে নিন। বেরিয়ে পরুন সবার মাঝে।

সেলাই করা ট্রাউজার বা জিনস্…
নিজের পুরোনো জিনস্ বা চিনোসকে গোড়ালি পর্যন্ত সেলাই করে স্বচ্ছন্দে বসন্ত বা গ্রীষ্মের সময় পরে ফেলতে পারেন। সেলাই করার কাজ তো খুব সহজ। এবার মোজা ছাড়া লোফার জুতোর সঙ্গে গলিয়ে নিন গোড়ালি দৈর্ঘ্যের নতুন জিনস্ বা ট্রাউজার।

ট্রাউজার বা জিনস্ কেটে বানিয়ে নিন শর্টস্…
আরও নতুনভাবে নিজেকে সাজাতে পারেন পুরনো বাতিল করা জিনসে। এভাবেও নতুন একটি পোশাক পেয়ে যেতেন পারেন। শুধু একটি কাঁচি নিন। কেটে ছোট করে দিন ট্রাউজ়ার বা জিনসের পা দুটো।  ঝুল সেলাই করে নিন। বা সেলাই ছাড়াই পরে নিন। সেলাইহীন অবস্থায় পরলে সময়মতো কাটা ঝুল থেকে বেরিয়ে আসা অতিরিক্ত সুতোগুলো ছেটে ফেলতে হবে।

এম ইউ

Back to top button