পশ্চিমবঙ্গ

আবারও কলকাতার মেয়র হলেন ফিরহাদ হাকিম

কলকাতা, ২৮ ডিসেম্বর – আবারও কলকাতা পুরসভার মেয়র হয়েছেন তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম। কলকাতা পুরসভার ৩৯তম মেয়র হিসেবে মঙ্গলবার শপথ গ্রহণ করেছেন তিনি। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো কলকাতার মেয়র হলেন ফিরহাদ।

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে সাজিয়ে তোলা হয়েছিল পুরো পুরভবন (নগরভবন)। পুরসভার ভেতরের লনে তৈরি করা হয়েছিল শপথগ্রহণ মঞ্চ।

মেয়রের পরই পুরসভার চেয়ারপার্সন হিসেবে শপথ নেন মালা রায়। এরপর একে একে মেয়র পরিষদদের ১৩ জন সদস্যও শপথ নেন। ডেপুটি মেয়র হয়েছেন অতীন ঘোষ।

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, সংসদ সদস্য ডা. শান্তনু সেন, দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি, বিধায়ক তাপস রায়, বিবেক গুপ্তা ও স্বর্ণকমল সাহা, চিত্রশিল্পী শুভাপ্রসন্ন, ডা. কুণাল সরকারসহ সমাজের বিশিষ্টজনেরা।

কলকাতার মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণের পরই ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক প্রত্যাশা করে এই বোর্ডকে মনোনীত করেছেন। তাই সকল কাউন্সিলরদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, মানুষকে সেবা দেয়ার যে অঙ্গীকার মমতা ব্যনার্জি নিয়েছেন, তা পূর্ণ করতে হবে এবং কলকাতাকে বিশ্বেও শ্রেষ্ঠ শহর করে গড়ে তুলতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই সেবক। সেখানে আমি হচ্ছি প্রধান সেবক। তাই আমরা সবাই মিলে একসাথে কলকাতার মানুষের সেবা করবো।’

তিনি বলেন, ‘মানুষ যখনই ডাকবে তখনই যদি তাকে পায়, সেই কাউন্সিলর মানুষের বিচারে শ্রেষ্ঠ কাউন্সিলর। তাই আমরা সকলে যদি দায়িত্ব নিয়ে নিজ নিজ ওয়ার্ডে কাজ করি, তবে কলকাতা এমনিতেই ভাল হয়ে উঠবে।’

এদিকে নতুন মেয়র, ডেপুটি মেয়র, চেয়ারপার্সন ও মেয়র পরিষদের সদস্যদের নিজ নিজ কক্ষে নামফলক বসানো হয়েছে। নতুন মেয়রের অফিসকক্ষও নতুন করে সাজানো হয়েছে।

মেঝেতে বসানো হয়েছে নতুন কার্পেট ও দেয়ালে নতুন ওয়াল পেপার। বদল আনা হয়েছে আলোকসজ্জাতেও। মেয়রের ঘরের টেবিল-চেয়ার সবকিছুতেই নতুন করে পালিশ করা হয়েছে। সেই সাথে মেয়র পরিষদের সদস্যদের অফিসকক্ষগুলোকেও নতুন করে সাজানো হয়েছে।

গত ১৯ ডিসেম্বর কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (পুরসভা) এর ১৪৪টি ওয়ার্ডে ভোটগ্রহণ হয়। সেই ভোট গণনায় ১৩৪টি ওয়ার্ডে জয়ী হয় তৃণমূল, যার মধ্যে ৮২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জয়ী হন ফিরহাদ হাকিম।

বিরোধী দল বিজেপি জয়ী হয় ৩টি ওয়ার্ডে, বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস ২টি করে এবং ৩টি ওয়ার্ডে জয়ী হন স্বতন্ত্র দলের প্রার্থীরা।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এন এইচ, ২৮ ডিসেম্বর

Back to top button