কক্সবাজার

পর্যটককে ধর্ষণকাণ্ডে ৩ জন রিমান্ডে

কক্সবাজার, ২৭ ডিসেম্বর – কক্সবাজারে নারীকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ৩ আসামির ২ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম হামিমুন তাসনিম এ আদেশ দেন।

রিমান্ডে নেয়া আসামিরা হলেন- রেজাউল করিম, মামুনুর রশিদ ও মেহেদী হাসান। এর আগে রোববার (২৬ ডিসেম্বর) তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক রুহুল আমিন বলেন, আসামিদের আদালতে তুলে ৫ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। আদালত ২দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

তিনি আরও বলেন, ওই নারীর জবানবন্দিতে যাদের নাম এসেছে, তাদের মধ্যে ৩ জনকে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) ধর্ষণের অভিযোগ তোলা ওই নারী কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম হামীমুন তানজীনের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে ধর্ষণের অভিযোগে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী সদর থানায় মামলা করেন। তাতে চার জনের নাম উল্লেখ ও তিন জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেন, বুধবার সকালে ঢাকা থেকে স্বামী-সন্তানসহ কক্সবাজার বেড়াতে যান তিনি। তারা কক্সবাজার শহরের হলিডে মোড়ের একটি হোটেলে ওঠেন। সেখান থেকে বিকেলে সৈকতের লাবনী পয়েন্টে ঘুরতে যান।

লাবনী পয়েন্টে অপরিচিত এক যুবকের সঙ্গে তার স্বামীর ধাক্কা লাগে। পরে কথা কাটাকাটি হয়। এরই জেরে সন্ধ্যায় স্টেডিয়াম সংলগ্ন পর্যটন গলফ মাঠের সামনে থেকে কয়েকজন তার স্বামী ও ৮ মাসের সন্তানকে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়। অপর একটি অটোরিকশায় তিন যুবক গৃহবধূকে তুলে নেয়। পরে তারা পর্যটন গলফ মাঠের পেছনে একটি ঝুপড়ি চায়ের দোকানের পেছনে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে।

তিনি আরও জানান, সেখান থেকে তাকে ‘জিয়া গেস্ট ইন’ নামে একটি হোটেলে নেওয়া হয়। ঘটনা কাউকে জানালে সন্তান ও স্বামীকে হত্যা করা হবে জানিয়ে হোটেল কক্ষটি বাইরে থেকে বন্ধ করে পালিয়ে যায় তারা। জিয়া গেস্ট ইনের তৃতীয় তলার জানালা দিয়ে এক যুবকের সহায়তায় কক্ষের দরজা খুলে ৯৯৯-এ ফোন দেন তিনি।

সূত্র : রাইজিংবিডি
এন এইচ, ২৭ ডিসেম্বর

Back to top button