ক্রিকেট

অবিক্রিত আমিনুল, অসহায় উত্তর, ‘বলার কিছু নেই’

ঢাকা, ২৭ ডিসেম্বর – কদিন আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন দেশের প্রায় সবকটি গণমাধ্যমের সামনে লেগ স্পিনারের গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত লেগ স্পিনার খেলানোর নিশ্চয়তাও দেন। অথচ পাপনের এমন কথার কিছুদিন না যেতেই দেখা গেল উল্টো চিত্র।

বাংলাদেশ জাতীয় টি-টোয়েন্টি দলের নিয়মিত মুখ লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। অথচ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসরের প্লেয়ার্স ড্রাফটে তিনি বিক্রিই হননি! বিসিবির মালিকানায় থাকা একটি দলসহ মোট ছয়টি দলের কেউই আগ্রহ দেখাননি বিপ্লবের প্রতি।

সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ড্রাফট অনুষ্ঠিত হয়। আমিনুল ড্রাফটে দল না পাওয়ার বিষয়টি জেনেছেন ড্রাফট শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গেই। দল না পাওয়ায় বিস্মিত আমিনুল নিজেও।

মুঠোফোনে বলেছেন, ‘ড্রাফটে যে দল পাইনি সেটি আমি জেনেছি। আসলে আমি বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নিয়েছি। এখনো সময় আছে। দেখা যাক সামনে কী আছে। এই মুহূর্তে এর চেয়ে বেশি আসলে আমার বলার নাই। সময় হলে বলা যাবে। আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন।’

আরেক প্রশ্নের উত্তরে আমিনুল নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছেন এভাবে, ‘আমি কী বলবো ভাই। বলার কিছু নেই আমার।’

সবশেষ পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজের সবকটি ম্যাচই খেলেছেন আমিনুল। তিন ম্যাচে নিয়েছেন ২ উইকেট। সব মিলিয়ে ১০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এই লেগ স্পিনার। এই ম্যাচগুলোতে তিনি নিয়েছেন ১২ উইকেট। সর্বোচ্চ ৩৪ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। এ ছাড়া ২৮টি স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে আমিনুল নিয়েছেন ২৪ উইকেট।

তাকে রাখা হয়েছিল ‘সি’ ক্যাটাগরিতে। পারিশ্রমিক ছিল ২৫ লাখ টাকা। তরুণ এই লেগ স্পিনার দল না পেলেও ভাগ্য খুলেছে জুবায়ের হোসেন লিখন ও রিশাদ হোসেনের। জুবায়েরকে দলে নিয়েছে সিলেট সানরাইজার্স। ড্রাফট শেষে বিসিবির দল ঢাকা রিশাদ হোসেনকে দলে ভিড়িয়েছে।

সূত্র : রাইজিংবিডি
এন এইচ, ২৭ ডিসেম্বর

Back to top button