ব্যক্তিত্ব

উদ্বিগ্নতা যখন আপনার বন্ধু

উদ্বিগ্নতার মত একটি মানসিক রোগও কখনো কখনো কাজ করে আশীর্বাদের মত। হ্যাঁ, রোগটি আপনার রক্তচাপ বাড়ায়, আপনাকে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তায় রাখে। কিন্তু এটি আছে বলেই সহজে ভুল করেন না আপনি। সিদ্ধান্ত নেন অনেক ভেবে-চিন্তে। তাই অন্যদের চেয়ে আপনি বেশীই এগিয়ে থাকেন। জানুন আরও বিস্তারিত-

কর্মোদ্দীপনা বাড়ায়
অতিরিক্ত দুঃশ্চিন্তা আপনার কাজের গতি বাড়ায়। যে কাজ আপনি করতে হয়ত অনেকটা সময় ব্যয় করতেন, সেই কাজ আপনি করে ফেলেন অনেক দ্রুত। কারণ আপনার উদ্বিগ্নতা আপনাকে ঘুমাতে দেয় না, অস্থির করে রাখে। কাজ শেষ করতে না পারার অনিশ্চয়তা আপনাকে অপেক্ষা করতে দেয় না, অলসতা করতে দেয় না। বরং বলে, “যা কাল হতে পারে, তা আজ কেন নয়?”

উদ্বিগ্নতা হতে পারে আপনার বন্ধু
আপনি অল্পতেই উদ্বিগ্ন হয়ে যান এই নিয়ে চিন্তিত না হয়ে বরং উদ্বিগ্নতার সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তুলুন। আপনার জীবন হয়ত আপনার কাছে খুবই কষ্টের, অনেক বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে এই পর্যন্ত এসেছেন আপনি। এই নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগবেন না। বরং আপনার সংগ্রামের কথা সবাইকে বলুন। নিজের জীবন নিয়ে পর্যালোচনা করতে গিয়ে আপনি নিজেই দেখবেন, উগ্বিগ্নতা আপনাকে কিভাবে সহায়তা করেছে।

উদ্বিগ্নতা লুকিয়ে রাখবেন না
আপনি যে উদ্বিগ্ন তা আপনার কর্মীদের বুঝতে দিন। আপনার ভেতরের তাড়ণা তাদের মাঝে ছড়িয়ে দিন। আপনি হয়ত ভাবছেন, কাজ নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা তো একটা বদভ্যাস। না। এই চিন্তাই আপনার কাজের গতি কিভাবে বাড়িয়ে দেয় তা আমরা দেখেছি। তাই একে বরং কাজে লাগান। আপনিও আপনার কাজ সময়মত করুন, অন্যদেরকেও কাজে উৎসাহী করে তুলুন।

মনোযোগের চর্চা করুন
উদ্বিগ্নতা যেন মনোযোগকে নষ্ট না করে সেদিকে খেয়াল রাখুন। আপনি আপনার কাজ নিয়ে, আপনার প্রতিষ্ঠানের উন্নতি নিয়ে চিন্তিত। খুবই ভাল কথা। কিন্তু অধিক চিন্তা যেন নার্ভাসনেস তৈরি না করে। মনে রাখবেন, উগ্বিগ্নতা আপনার এমন একটি গুণ যার নিয়ন্ত্রণ হারানো বিপজ্জনক। একে সামলে রাখতে হবে। তাই মনোযোগ হারাবেন না কোনভাবেই। কাজের সফলতা শুধু চিন্তা দিয়ে আসবে না। তাই পাশাপাশি মনোযোগ ধরে রাখার অনুশীলন করুন।

এম ইউ

Back to top button