ঢালিউড

দূর দেশে শাবনূর, ভক্তরা উদযাপন করলেন জন্মদিন

ঢাকা, ১৭ ডিসেম্বর – ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনূর। বড় পর্দায় অভিষেকের পর প্রায় দুই দশক ঢালিউডে রাজত্ব করেছেন। অভিনয় করেছেন প্রায় আড়াই শতাধিক চলচ্চিত্রে। বিখ্যাত পরিচালক এহতেশামের হাত ধরে চলচ্চিত্রে পা রাখেন এ অভিনেত্রী। ১৯৯৩ সালে নায়ক সাব্বিরের বিপরীতে ‘চাঁদনী রাতে’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। অভিষেক চলচ্চিত্র মুক্তির পর সাড়া ফেলতে পারেননি এই অভিনেত্রী।।

১৯৯৪ সালে জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেন ‘তুমি আমার’ সিনেমায়। এই সিনেমার মাধ্যমে দর্শক হৃদয়ে জায়গা করে নেন শাবনূর। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। বাংলা চলচ্চিত্রে জন্ম হয় এক কালজয়ী জুটির। কিন্তু সালমান শাহের অকাল প্রয়াণে এই জুটি খুব বেশি সিনেমায় অভিনয় করতে পারেনি। তারপরও মাত্র ১৪টি সিনেমায় জুটি বেঁধে সালমান-শাবনূর, রাজ্জাক-কবরী জুটির পর এখনো দর্শকের কাছে সেরা জুটি হয়ে আছেন।

সালমান শাহর পর রিয়াজ, ফেরদৌস, মান্না, অমিত হাসান, শাকিব খানসহ অনেক নায়কের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন শাবনূর। অসাধারণ অভিনয় দক্ষতায় জিতে নেন জাতীয় চলচিত্র পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা।

২০১১ সালে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী ব্যবসায়ী অনিক মাহমুদকে বিয়ে করেন শাবনূর। তারপর চলচ্চিত্রে অনিয়মিত হয়ে পড়েন। যদিও এ সংসার টেকেনি তার। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বসবাস করছেন শাবনূর। সেখানে পুত্র আইজান, মা, ভাই-বোনসহ স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন তিনি। আজ (১৭ ডিসেম্বর) ৪৩ বছরে পা দিলেন শাবনূর। বিশেষ দিনটি অস্ট্রেলিয়াতে কাটাচ্ছেন এই নায়িকা। দূর দেশে অবস্থান করলেও এখনো দর্শক হৃদয়ে রয়েছেন গুণী এই অভিনেত্রী। তাই তো তার ভক্তরা বাংলাদেশে প্রিয় নায়িকার জন্মদিন উদযাপন করছেন।

শাবনূরের অফিশিয়াল ফ্যান ক্লাব আয়োজন করে জন্মদিনের অনুষ্ঠান। কেক কাটার পাশাপাশি শাবনূর অভিনীত সিনেমার গানের সঙ্গে পারফর্ম করেন তার ভক্তরা। অনুষ্ঠানটি শাবনূর তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছেন। পাশাপাশি ভক্তদের ধন্যবাদও জানান এই নায়িকা।

শাবনূর অভিনীত সিনেমার সংখ্যা প্রায় আড়াই শতাধিক। তার উল্লেখযোগ্য সিনেমা হলো—‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘তোমাকে চাই’, ‘তুমি আমার’, ‘এ বাঁধন যাবে না ছিড়ে’, ‘কাজের মেয়ে’, ‘প্রেমের তাজমহল’, ‘খেয়া ঘাটের মাঝি’, ‘দুই নয়নের আলো’, ‘আমার স্বপ্ন তুমি’, ‘ফুল নিব না অশ্রু নিব’, ‘সুন্দরী বধূ’, ‘মোল্লা বাড়ির বউ’, ‘চার সতীনের ঘর’, ‘প্রেমের অহংকার’, ‘ভুলোনা আমায়’, ‘দুই বন্ধু এক স্বামী’, ‘বলব কথা বাসর ঘরে’ (নেগেটিভ চরিত্র) প্রভৃতি।

এন এইচ, ১৭ ডিসেম্বর

Back to top button