জানা-অজানা

করোনার নতুন ধরনে এশিয়া-ইউরোপে অস্থিরতা

দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হওয়া করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের কারণে আবারও সীমান্ত বন্ধ করতে যাচ্ছে এশিয়া ও ইউরোপের দেশগুলো। এর প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ইতোমধ্যে এই দেশগুলো ভ্রমণ বিধিনিষেধে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে শুরু হয় করোনা মহামারি। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই মহামারি ছড়িয়ে পড়ে সারাবিশ্বে। সংক্রমণের বিস্তার ঠেকাতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে শুরু করে। সংক্রমণ কমতে শুরু করায় চলতি বছরের মাঝামাঝি থেকে একে একে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সরতে শুরু করে। গত সপ্তাহে দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হয় B.1.1.529 নামে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট। দেশটিতে সংক্রমণ দ্রুত বাড়ার পেছনে দায়ী এই ভ্যারিয়েন্টটি। এটি বহুবার নিজের মধ্যে রূপান্তর ঘটাতে পারে। শুক্রবার দক্ষিণ আফ্রিকার বাইরে হংকংয়ে এই ভ্যারিয়েন্টটি শনাক্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিস্তারের কারণে ইতোমধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া, বতসোয়ানা, জিম্বাবুয়ে, লিসোথো ও এসওয়াতিনির ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাজ্য।

অন্তত ১৪ দিন আগে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর করেছেন এমন ব্যক্তিদের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইতালি। নিষেধাজ্ঞা আরোপের পূর্বপদক্ষেপ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ভাইরাস ভ্যারিয়েন্ট এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে জার্মানির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডের লিয়েন জানিয়েছেন, দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে আকাশপথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়ার কথা ভাবছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আসা ব্যক্তিদের করোনা শনাক্ত পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আসা যাত্রীদের প্রবেশের ওপর কড়াকড়ি আরোপের ঘোষণা দিয়েছে সিঙ্গাপুর। দক্ষিণ আফ্রিকা ও আফ্রিকা অঞ্চলের পাঁচটি দেশ থেকে আসা যাত্রীদের জাপানে প্রবেশের ব্যাপারে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে টোকিও।

এম ইউ/২৬ নভেম্বর ২০২১

Back to top button