ব্যক্তিত্ব

কৈশোর প্রাপ্ত সন্তানদের সামলানো – কী কী করবেন না

বাবা মা হিসেবে সন্তান প্রতিপালন বিশেষ করে কৈশোর প্রাপ্ত সন্তানকে যেমন আনন্দদায়ক সেরকমই কষ্টকর ও যণ্ত্রনাদায়ক হয়ে উঠতে পারে।কৈশোর প্রাপ্ত সন্তানকে সঠিক ভাবে বড় করার যে পদ্ধতি,সেকানে বাবা মায়ের বোঝা উচিত বিভিন্ন রকমের উপায় অবলম্বন করা উচিত। এই প্রবন্ধে আমরা এইসবই আলোচনা করব – এমন কিছু জিনিস যা অবশ্যই কারবেন না।বাচ্চাদের সামলাতে গেলে যেসব একদমই করা যাবে না এবং প্রথাগত কিছু পন্থার সহায়তা নিতে হবে।এটা এমন নয় যে কিশোর বাচ্চারা শুধুই সমস্যার কারণ।আসল কথা হল আপনি কি ভাবে পুরো ব্যাপারটা সামলাবেন।আপনি যদি এর মধ্যে একটাও কিছু করছেন দেখেন,তাহলে এখুনি বন্ধ করুন।পড়ে দেখুন..

আমি যা বলব তাই করতে হবে-
বেশ,আপনার বাচ্চা সবে কৈশোরে পা দিয়েছে এবং যে কোনও কিশোর/কিশোরি এই ব্যাপারটা একদম পছন্দ করে না। সেটা তার বাবা মাই হোক বা অন্য কেউ। কিছু কিছু কথার প্রয়োগ একদমই করবেন না,যেমন – “আমাকে খবরদার অমান্য করবে না”,”আমি যা বলছি তাই কর”, ইত্যাদি ইত্যাদি। এতে ব্যাপার আরও খারাপ হবে শুধু।

অন্য বাচ্চাদের দেখা বাবা-
মায়েরা অনেক সময় নিজের বাচ্চার সাথে অন্যর বাচ্চার অকারণ তুলনা করেন।তাঁরা ভুলেই যান তাঁদের বাচ্চা যেরকম সেইভাবেই সে সুন্দর। যখনই কোনও কিশোর না কিশোরীকে সামলাবেন বিশেষভাবে খেয়াল রাখবেন যে এটি একদমই করবেন না। অন্যদের বাচ্চার সাথে তুলনা করলে আপনার বাচ্চার কাছে আপনার সম্বন্ধেই একটা খারাপ ধারণা তৈরী হবে।

অকারণে বাচ্চাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা- 
বাবা মায়েরা কখনও বাচ্চাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করবেন না,বিশেষ করে আপনার সন্তান যদি কৈশোরে পা দিয়ে থাকে।এর ফলস্বরুপ বাচ্চারা অকারণ ভুল কাজে জড়িয়ে পড়ে। যেমন মিথ্যে কথা বলা,ধোঁকা দেওয়া ইত্যাদি।শান্ত থাকুন ও বদ্ধুত্বপূর্ণ ভাবে জিনিসটা সামলান।তাদের আশা আকাঙ্খায় অকারণ চাপ সৃষ্টি করবেন না।

অকারণে সন্দেহ করা-
যদি সন্দেহ করেনও কখনও প্রকাশ করবেন না। আপনি তাদের পিছনে গোয়েগ্দাগিরি করুন কি্ন্ত খুব বেশি করবেন না। কিশোর/কিশোরিররা খুব তাড়াতাড়ি একটা ধারণা ও সিদ্ধান্ত করে নেয়। তাই বাবা মা হিসেবে তাদের কখনই সরাসরি এটা বুঝতে দেবেন না যে তাদের ব্যবহার আপনাদের কাছে সন্দেহজনক লাগছে।

এম ইউ

Back to top button