ক্রিকেট

জিতেও বাদ প্রোটিয়ারা, সেমিতে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া

আবুধাবি, ০৭ নভেম্বর – শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবার টসে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাট করতে পাঠান ইংলিশ অধিনায়ক ইয়ান মরগ্যান। ব্যাটিংয়ে নেমে নিজেদের কাজটা ঠিকমতোই করে রেখেছিলেন প্রোটিয়ারা। ১৮৯ রানের বড় সংগ্রহ গড়েন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা। সেমিফাইনালের টিকিট পেতে বাকি কাজ করতে হতো বোলারদের। এজন্য ইংলিশদের আটকাতে হতো ১৩১ রানের মধ্যেই।

তবে সে কাজটা পারেনি টেম্বা বাভুমার দল। দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচটি জিতলেও ইংল্যান্ড করেছে ১৭৯ রান। তাই ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার সমান পয়েন্ট নিয়েও ​শেষ পর্যন্ত রান রেটে পিছিয়ে থেকে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলেন হেনড্রিকস, ডি ককরা। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের সঙ্গী হল অস্ট্রেলিয়াই।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের বিকল্পহীন ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ২ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ তোলে সাউথ আফ্রিকা। শুরুটা ভালো হয়নি প্রোটিয়াদের। ওপেনার রিজা হেনড্রিকসকে ১৫ রানেই হারিয়ে ফেলে দলটি। হেনড্রিকসের ২ রানে বিদায়ের পর দলে ৩৪ রান যোগ করে সাজঘরে ফেরেন কুইন্টন ডি কক।

এরপর মাঠে এসে ব্যাটে ঝর তোলেন এইডেন মারক্রাম। ২০৮ স্ট্রাইক রেটে খেলেন ২৫ বলে ৫২ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস। যার মধ্যে ছিল ৪টি ছয় ও ২টি চার। অন্যপাশ থেকে তাণ্ডব চালান রাসি ফন ডার ডুসেনও। এই ব্যাটার করেন ৬০ বলে ৯৪ রান। এর মধ্যে ছিল ৫টি চার ও ৬টি ছক্কার মার।

তারা দুজনে তিন অঙ্কের জুটি গড়েন ৫১ বলে। দক্ষিণ আফ্রিকা শেষ দশ ওভারে পায় ১১৬ রান। ইংল্যান্ডের হয়ে ১টি করে উইকেট নেন মঈন আলী ও আদিল রশিদ।

১৮৯ রানের জবাবে খেলতে নেমে ২০ ওভার খেলে ৮ উইকেটে ১৭৯ রান তোলে ইংল্যান্ড। দলের হয়ে ২৭ বলে সর্বোচ্চ ৩৭ রানের ইনিংস খেলেন মঈন আলী। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন ডাউইয়িড মালান। এর মধ্যে পঞ্চম ওভারে ব্যক্তিগত ২০ রানে পায়ে চোট নিয়ে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন ওপেনার জেসন রয়।

৫ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট (+২.৪৬৪) নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে চলে গেছে ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে তাদের সঙ্গী অস্ট্রেলিয়ার সমান ৫ ম্যাচে সমান ৮ পয়েন্ট। দক্ষিণ আফ্রিকা (‍+০.৭৩৯) অস্ট্রেলিয়ার (‍+১.২১৬) রান রেটে পিছিয়ে থেকে বিদায় নিল টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এন এইচ, ০৭ নভে

Back to top button