দক্ষিণ এশিয়া

বিহারে ‘ভেজাল মদ’ পানে মৃত্যু বেড়ে ৬৮

নয়াদিল্লী, ০৬ অক্টোবর – ভারতের বিহার রাজ্যে ‘ভেজাল মদ’ পানে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। শনিবার (৬ নভেম্বর) রাজ্যটির সমস্তিপুর থেকে আরও চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। ভেজাল মদ খেয়ে রাজ্যটিতে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৮ জনে। অসুস্থ আছে বহু। এনিয়ে টানা তিনদিন মৃত্যুর খবর জানা গেলো বিহার থেকে।

২০১৬ সাল থেকে বিহারে মদ নিষিদ্ধ। তার পরেও একাধিকবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে মদ পানে মৃত্যুর খবর মিলছে। প্রতি বছরই ভেজাল মদ পানে রাজ্যটিতে মানুষের মৃত্যু হয়। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি।বৃহস্পতিবার থেকে রাজ্যের মুজফফরপুর, গোপালগঞ্জ ও চম্পারণ এলাকা থেকে একের পর এক মৃত্যুর খবর আসে। এই তিনটি এলাকাতেই এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৬৪ জনের। মুজফফরপুরের মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ জনে। পশ্চিম চম্পারণে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি আরও সাতজন। গোপালগঞ্জে মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের।

এরই মধ্যে ভেজাল মদ তৈরিতে জড়িতদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে বিহার প্রশাসন।

এদিকে ভেজাল মদ কাণ্ড নিয়ে বিহারের রাজনৈতিক আলোচনাও তুঙ্গে। রাজ্যের প্রধান বিরোধীদল আরজেডির নেতা তেজস্বী যাদব অভিযোগ করেছেন, বিহারে মদ নিষিদ্ধ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ নীতীশ সরকার। রাতের অন্ধকার রমরমিয়ে চলছে মদের ব্যবসা।

অভিযোগ অস্বীকার করে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের বলেন, এই ঘটনার তদন্ত চলছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি মদবিরোধী প্রচারও চলবে।

নীতীশ কুমার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কুরসিতে বসার পর থেকেই বিহারকে মদমুক্ত করার উদ্যোগ নেন। সেটা ২০১৬ সালে। সেই থেকেই বিহারে মদ নিষিদ্ধ। তবে গ্রামে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে মদের বিক্রি হচ্ছেই। আর প্রশাসনিক নজরদারি কম থাকার কারণেই সেই মদ পান করে প্রাণ হারাচ্ছেন অনেকেই।

সূত্রঃ জাগো নিউজ

আর আই

Back to top button