সাজ-সজ্জা

দেয়ালঘড়িতে ফুটিয়ে তুলুন আপনার সৃজনশীলতা (দেখুন ছবিতে)

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হয় আমাদের সবার। আর সেজন্যই ঘড়ি আমাদের নিত্য সংগী। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এখন সবার হাতেই মোবাইল আর মোবাইলেই দেখে নিই সময়টা। কিন্তু সকালে উঠে অফিসে সময়মত পৌছতে এখনও কিন্তু নিরবে সাহায্য করে যায় দেয়াল ঘড়ি।

চারকোনা আর গোলাকৃতির দেয়ালঘড়ি তো অনেক হল। এবার বদলে ফেলতে পারেন ঘড়ির একঘেয়ে আইডিয়া। নিজের সৃজণশীলতা কাজে লাগিয়ে ঘড়িকেও করতে পারেন শিল্পের অংশ। দেখে নিন কিছু চমৎকার আইডিয়া যা তৈরির উপকরণ আছে আপনার হাতের নাগালেই।

ক্লে
ফেমে কাপড় আটকে নিন। ক্লের মোল্ড দিয়ে তৈরি করুন আপনার পছন্দের আকৃতি। ফুল হতে পারে, হতে পারে প্যাঁচা, পাখি। ঘড়িটি চারকোণা আকার দিতে পারেন, ছবির মত গোলাকৃতিরও দিতে পারেন।


কুরশীকাটার ঘড়ি
কুরশীকাটার কাজ জানেন আমাদের অনেকেই। ফুলের মত বানিয়ে ফেলুন আপনার পছন্দের রঙে। তারপর ঘড়ি লাগিয়ে দিন ফুলের মাঝে। গোল, চারকোণা যে কোনরকম হতে পারে আপনার ডিজাইনটি। হতে পারে প্রজাপতি বা পেঁচার মাথাও।


প্রজাপতি
দেখতে যত এলিগ্যান্ট ঘড়িটি বানানো কিন্তু ততই সহজ। কালো রাউন্ড ফ্রেমের ঘড়ি কিনুন। আর কাগজের ছোট বড় প্রজাপতির অরিগামি তৈরি করুন। কালো কাগজে করুন অথবা সাদা কাগজে করে রঙ করে নিন।


কাগজের ঘড়ি
ম্যাগাজিনের রঙিন কাগজ কেটে নিন। চিকন রোল তৈরি করুন। আঠা দিয়ে চেপে চেপে লাগান। রোলগুলো ঘুড়িয়ে তৈরি করুন ছবির মত আকৃতি। মাঝে বসিয়ে দিন একটি ঘড়ি।


সুতার ঘড়ি
রঙিন সুতায় গিট দিয়ে দিয়ে বানানো হয়েছে এটি। মূল ঘড়ির উপর এটি একটি কভারের মত। সাথে ব্যবহার করতে পারেন লেস, বোতাম ইত্যাদি।


চামচ-বিটারের ঘড়ি
কখনো ভেবেছেন এসব দিয়েও ঘড়ি হতে পারে? পারে। খুব সহজেই নানান আকৃতির বাতিল চামচগুলো রঙ করে লাগিয়ে নিতে পারেন ছবির করে। ব্যবহার করতে পারেন বিটার টুলসও।

আপনার সৃজণশীলতা আসবে আপনার মেধার পথ ধরে। বাজারে অনেক কম দামেই ঘড়ির মূল অংশটি পেয়ে যাবেন। পুরোনো ঘরটিকেও দিতে পারেন নতুন রূপ। উপহার হিসেবেও চমৎকার হবে এটি।

লিখেছেন-আফসানা সুমী

এম ইউ

Back to top button