ক্রিকেট

ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে মোস্তাফিজের ১৯ রানের ওভার টার্নিং পয়েন্ট

আবুধাবি, ৩০ অক্টোবর – এইতো বাংলাদেশের ম্যাচের আগের দিন ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্কোয়াডে যোগ দেন পেস অলরাউন্ডার জেসন হোল্ডার। দলের সঙ্গে সফরে ছিলেন। কিন্তু বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ছিলেন না। আরেক ফাস্ট বোলার ওবেড ম্যাককয়ের স্থলাভিষিক্ত হন তিনি।

স্কোয়াডে সুযোগ পেয়ে সোজা বাংলাদেশের বিপক্ষে নেমে পড়েন। গায়ে জার্সি জড়িয়ে আনসাং হিরো হয়ে গেলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ যখন রান খরায় ভুগছে তখন মোস্তাফিজের করা শেষ ওভারে দুই ছক্কা উড়ান তিনি। এরপর এক রান নিয়ে প্রান্ত বদল করলে পোলার্ডও হাঁকান আরো এক ছক্কা। সব মিলিয়ে মোস্তাফিজের ওই ওভারে ১৯ রান পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাতে ম্যাচটা নিজেদের করে নেয় ক্যারিবিয়ানরা।

বাংলাদেশ ১৪৩ রান তাড়ায় ৩ রানে হারলেও হোল্ডার মনে করেন মোস্তাফিজের ওই ওভারটাই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। হোল্ডার দলের প্রতিনিধি হয়ে এসে সংবাদ সম্মেলনে বলেন,‘শেষ ওভারটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল এবং আমরা মোমেনটাম পেয়ে যাই। আমরা তিনটি ছক্কা পেয়েছিলাম সেই ওভারে। ওই রানগুলোর কারণে আমরা সম্মানজনক পুঁজি পাই। আমাদের অনুভব হচ্ছিল ১৪০ রান পর্যাপ্ত। আমাদের যে বোলিং আক্রমণ রয়েছে এবং উইকেট যে ধরণের ছিল তাতে এই রান ডিফেন্ড করার মতো। প্রত্যেকের ক্রেডিট দেওয়া উচিত তাদেরকে ১৪০ রানে আটকে দেওয়া গেছে।’

৭ বলে বাংলাদেশের জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৩ রান। তখন ব্রাভোর বল উড়িয়েছিলেন লিটন। কিন্তু সীমানায় অকল্পনীয় এক ক্যাচে দলকে ম্যাচে রাখেন হোল্ডার। পরবর্তীতে রাসেলর শেষ ওভারে ১৩ রানের সমীকরণ মেলাতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষ বলে একটি চার হলেই হতো। কিন্তু রাসেলের ভয়ংকর ইয়র্কারের উত্তর জানা ছিল না মাহমুদউল্লাহর। হোল্ডোরের কাছে শেষ বলটিই ম্যাচের সেরা মুহূর্ত‘,রাসেল যে বলটা শেষে করলো অবশ্যই সেরা আমার সেরা মুহূর্ত। একটি বল, চার রান দরকার। ওই সময়ে অসাধারণ এক ইয়র্কারে ডট বল হওয়া…স্মৃতিতে থাকবে আজীবন। আশা করছি সামনের ম্যাচগুলোতেও এমন কিছু হবে।’

ব্যাটিংয়ে ৫ বলে ১৫ রানের পর বোলিংয়ে ৪ ওভারে ২২ রান দেন হোল্ডার। সঙ্গে সীমানায় লিটনের ক্যাচ। এমন দিনের প্রত্যাশায় হয়তো ছিলেন এই বার্বাডিয়ান।

সূত্র : রাইজিংবিডি
এন এইচ, ৩০ অক্টোবর

Back to top button