ঢালিউড

মুক্তি পেলো ‘মুজিব আমার পিতা’

ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর – প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রচিত ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ বই অবলম্বনে নির্মিত এনিমেটেড চলচ্চিত্র ‘মুজিব আমার পিতা’ মুক্তি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর পান্থপথে বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সে চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ প্রযোজিত ও সোহেল রানা পরিচালিত ‘মুজিব আমার পিতা’র প্রদর্শনী উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মুজিব শতবর্ষ উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু জাদুঘরের কিউরেটর ড. নজরুল ইসলাম খান প্রমুখ।

চলচ্চিত্রটি নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তথ‌্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিনে তার লেখা বই অবলম্বনে নির্মিত প্রথম সেন্সর ছাড়পত্র পাওয়া এনিমেশন মুভি মুজিব আমার পিতার মুক্তি জাতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনে মাইলফলক। এনিমেটেড মুভি আরো হয়েছে, কিন্তু সেন্সর ছাড়পত্রপ্রাপ্ত মুভি এটিই প্রথম।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘শেখ হাসিনা এখন আর শুধু বাংলাদেশের নেত্রী নন, সারা পৃথিবীকে আলো দেখানো নেত্রীতে রূপান্তরিত হয়েছেন। সে কারণে তাকে জাতিসংঘে এসডিজি অগ্রগতি পদক দেওয়া হয়েছে। উন্নয়নে, অর্জনে, সংকটে, সংগ্রামে একটি নাম, সেটি হচ্ছে—জননেত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা হাসলে বাংলাদেশ হাসে। সমগ্র বাংলাদেশ যখন ঘুমায়, তখনও শেখ হাসিনা দেশের জন্য জেগে থাকেন। তাই আজকের এই দিনে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ঠিকানায় দেশকে নিয়ে যাওয়ার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনাকেই প্রয়োজন। তিনি আরও বহু বছর ধরে আমাদের নেতৃত্ব দিয়ে যান, সেই প্রত্যাশা আমাদের।’

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড না থাকলে আমাদের তরুণরা বিপথে যায়। ২০১৩-১৪-১৫ সালে দেখেছি, যেসব জেলায় সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের ব্যাপকতা ছিল, সেখানে মৌলবাদী হাঙ্গামা বেশি হয়নি। যেসব জেলায় কম ছিল, সেখানে মৌলবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। সেজন্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিকল্প নেই এবং এর বড় অনুসঙ্গ হচ্ছে চলচ্চিত্র।’

তিনি আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা তার দৃষ্টিতে তার পিতাকে কীভাবে দেখেছেন, সেটা নিয়েই তিনি বইটি লিখেছেন। সেটার ওপর ভিত্তি করে ছবিটা নির্মাণ করা হয়েছে। আশা করি, এটি জাতির সবাইকে অনুপ্রাণিত করবে।’

এন এইচ, ২৯ সেপ্টেম্বর

Back to top button