পশ্চিমবঙ্গ

মমতার শুভেচ্ছা নিয়ে শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় তৃণমূল

কলকাতা, ২৭ সেপ্টেম্বর – পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ভবানীপুর আসনে শেষ মুহূর্তের প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। এর আগে রোববার সন্ধ্যায় দুটি সভা করে ভবানীপুর বিধানসভার উপ-নির্বাচনে নিজের প্রচারের সমাপ্তি ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শেষ মুহূর্তে প্রচারে ঝড় তুলতে মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছাবার্তা নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে হাজির হচ্ছেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। ভোটদাতাদের কাছে মুখ্যমন্ত্রীর লেখা শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি ‘শুভেচ্ছাপত্র’ তৈরি করেছেন দক্ষিণ কলকাতা জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব।

ভবানীপুর বিধানসভার ৮ ওয়ার্ডেই সেই পত্র পৌঁছে দেওয়া হয়েছে রোববার। সেই পত্র নিয়ে দিনভর ভোটারদের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে যাচ্ছেন তৃণমূলের কর্মীরা।

ভোটের প্রচারে জন্য তৈরি ওই পত্রে যেমন মুখ্যমন্ত্রীকে ভোট দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, তেমনই সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর বয়ানে একটি বার্তাও রয়েছে। সেই বার্তায় মমতা লিখেছেন, ‘আমার রাজনৈতিক জীবনে আমি ভবানীপুর আসনকে ঘিরেই পথ চলা শুরু করেছি। দুঃসময়ে-সুসময়ে-উৎসবে-আন্দোলনে মানুষের পাশে থাকার জন্য সব সময় আপনাদের আর্শীর্বাদ ও ভালোবাসা পেয়েছি। আমি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, সেটাও ভবানীপুর কেন্দ্রের জন্য।’

এবার তার প্রচার নিয়েও ভোটদাতাদের বার্তা দিয়েছেন মমতা। তিনি লিখেছেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে কোনও র‌্যালি আমরা করতে পারছি না বলে ক্ষমাপ্রার্থী। ব্যক্তিগতভাবে সবার সাথে সাক্ষাৎ করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করতাম। এ পরিস্থিতিতে আপনাদের নিকট আমার আবেদন- একটিও মূল্যবান ভোটের আর্শীর্বাদ, ভালোবাসা, শুভেচ্ছা, ও দোয়া থেকে যেন বঞ্চিত না হই।’

একেবারে শেষ লগ্নের প্রচারে এমন অভিনব কৌশল প্রসঙ্গে ভবানীপুর উপ-নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘উপ-নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব ভোটারের কাছে পৌঁছে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী সেটা সম্ভব ছিল না। তাই মুখ্যমন্ত্রীর প্রচার শেষ হওয়ার পরই আমরা তার বার্তা ভোটারদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি।’

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এন এইচ, ২৭ সেপ্টেম্বর

Back to top button