আইন-আদালত

সিনহা হত্যা মামলা: পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহন ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর

ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর- সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার তৃতীয় দফায় তৃতীয় দিনে তিন জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ হয়েছে। এ নিয়ে তিন দফায় মোট ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহন করা হলো। আগামী ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহনের দিন ধার্য্য করেছে আদালত। আদালতে বিচার কার্যক্রমের সাথে যুক্ত একাধিক আইনজীবী সূত্র জানা গেছে, বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় থেকে দ্বাদশতম সাক্ষি হিসেবে একটি রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য সার্জেন্ট আইয়ুব আলীর জবানবন্দি গ্রহণের মধ্য দিয়ে তৃতীয় দফায় তৃতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। তিনি ঘটনার পর খবর শুনে সেখানে (ঘটনাস্থলে) গিয়েছিলেন। এসময় ঘটনার পরবর্তী সেখানকার চিত্র নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ধারণ করতে গিয়ে বাধাপ্রাপ্ত হন এবং মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয় বলে তিনি আদালতকে জানিয়েছেন। এ ছাড়া আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে সিনহার মৃতদেহ ময়নাতদন্তকারি আরেক চিকিৎসক শাহীন মো. আব্দুর রহমান ও হাফেজ সালেহ আহমদ।

এর আগ সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে মামলার ১৫ আসামিকে প্রিজন ভ্যানে করে কড়া পুলিশ পাহারায় আদালতে আনা হয়। তারা হলেন, বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী, কনস্টেল রুবেল শর্মা, এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুল করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া ও কনস্টেবল সাগর দেব নাথ। আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সদস্য এসআই মো. শাহজাহান, কনস্টেবল মো. রাজিব ও মো. আব্দুল্লাহ এবং টেকনাফের বাহারছড়ার মারিষবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও পুলিশের করা মামলার সাক্ষী নুরল আমিন, মো. নিজাম উদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম বলেছেন, বিচার প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করতে আসামি পক্ষ নানা ধরনের আবেদনসহ অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে। উল্লেখ্য, গত বছর ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

সূত্রঃ বিডি২৪লাইভ

আর আই

Back to top button