ঢালিউড

স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহর জন্মদিন আজ

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর – ক্ষণজন্মা তিনি। মৃত্যুই তাকে যেনো দিয়ে গেছে অমরত্ব। ২৫ বছর হয় তিনি নেই। অথচ তার না থাকাটাই ঢাকাই সিনেমার দর্শকদের কাছে অমর করে রেখেছে তাকে। করেছে কালজয়ী নায়ক, স্টাইলিশ আইকন। তিনি সালমান শাহ। বেঁচে থাকলে এই দিনে ৫০ বছরে পা রাখতেন তিনি।

তিনি নেই তবুও বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের রোমান্টিক যুবরাজ আজও বেঁচে আছেন দর্শকের মনোজগতে। জেগে আছেন তরুণ-তরুণীর তর্কে, স্মৃতিচারণায়। সবার মুখে প্রায়ই শোনা যায়- ‘সালমান শাহর মতো নায়ক চলচ্চিত্রে আর কেউ এলো না!’ কী এমন রসসম্ভার ছিল সালমান শাহর অভিনয়ে?

১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর নানা বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জে এই নায়কের জন্ম হয়। সিনেমায় তিনি সরব ছিলেন মাত্র চার বছর। সেই চার বছর যে সিনেমাগুলো উপহার দিয়েছেন তা আজও দর্শকপ্রিয়, কাল উত্তীর্ণ। চার বছরে মোট ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন। তার সবগুলোই প্রায় সুপারহিট। তাই তার ২৫ বছর না থাকাকেও কাজগুলো তাকে জীবন্ত করে রেখেছে। বর্তমান সময়ের নায়কদের পাশাপাশি দর্শকদের কাছেও প্রিয় স্টাইল আইকন তিনি।

কিশোর বয়সে সালমান ছিলেন কণ্ঠশিল্পী। তার অভিনয় জীবন শুরু হয় বিটিভিতে শিশুশিল্পী হিসেবে। সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে জগতে পা রাখেন এই নায়ক।

সালমান অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে ১৯৯৩ সালে মুক্তি পায় কেয়ামত থেকে কেয়ামত, দেন মোহর, তোমাকে চাই। ১৯৯৪ সালে মুক্তি পায় বিক্ষোভ ও আনন্দ অশ্রু, চাওয়া থেকে পাওয়া, বিচার হবে। ১৯৯৫ সালে মুক্তি পায় জীবন সংসার, মহা মিলন, স্বপ্নের পৃথিবী, স্বপ্নের ঠিকানা, এই ঘর এই সংসার।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান সালমান শাহ। সে বছর মুক্তি পায় তার অভিনীত ‘কন্যাদান’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘প্রেমযুদ্ধ’, ‘সত্যের মৃত্যু নাই’, ‘সুজন সাথী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘তুমি আমার’।১৯৯৭ সালে মুক্তি পায়’ বুকের ভেতর আগুন’ ও ‘প্রেম পিয়াসী’ ।

এন এইচ, ১৯ সেপ্টেম্বর

Back to top button