জাতীয়

দুই হাসপাতাল ঘুরে গুলশান থানায় ইভ্যালির এমডি রাসেল

ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর – প্রতারণা ও অর্থ-আত্মসাতের জন্য গ্রাহকের মামলায় গ্রেফতার হওয়া ইভ্যালির সিইও মোহাম্মদ রাসেলকে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে ফের গুলশান থানায় নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার মধ্যরাতের দিকে তাকে চিকিৎসা শেষে থানায় নিয়ে আসা হয়। এ তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ওয়াহিদুল ইসলাম।

জানা যায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে অসুস্থতার কথা জানালে রাসেলকে গুলশান থানা থেকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে ফের আবার তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়।

এর আগে, আরিফ বাকের নামে এক ভুক্তভোগীর মামলায় বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে রাসেল ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

এরপর শুক্রবার বিকালে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আতিকুল ইসলামের আদালতে মোহাম্মদ রাসেল এবং তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে হাজির করা হয়। এরপর ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক আসামিদের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির চমকপ্রদ বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে অভিযোগকারী আরিফ বাকের ও তার বন্ধুরা চলতি বছরের মে ও জুন মাসে কিছু পণ্য অর্ডার করেন। পণ্যের অর্ডার বাবদ বিকাশ, নগদ ও সিটি ব্যাংকের কার্ডের মাধ্যমে সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করেন তারা। সেইসব পণ্য সাত থেকে ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে ডেলিভারির কথা ছিল। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পণ্য সরবরাহে ব্যর্থ হলে ইভ্যালি সমপরিমাণ টাকা ফেরত দিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ ছিল।

ওই সময়সীমার মধ্যে পণ্যগুলো ডেলিভারি না পাওয়ায় বহুবার ইভ্যালির কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধিকে ফোন করেন ভুক্তভোগীরা। সবশেষ গত ৫ সেপ্টেম্বর যোগাযোগ করে অর্ডার করা পণ্যগুলো পাওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন বাদী ও তার বন্ধুরা।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এন এইচ, ১৮ সেপ্টেম্বর

Back to top button