ক্রিকেট

অভিষেকেই ৪ ‘মানকাডিং’ করলেন তিনি!

উগান্ডা, ১৩ সেপ্টেম্বর – ক্রিকেটের বিতর্কিত এক আউট। যেটা আইনে সিদ্ধ হলেও ক্রিকেটীয় উদ্যমের সঙ্গে একেবারেই সাংঘর্ষিক। সেই ১৯৪৭-৪৮ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে ভারতের ভিনু মানকড় এমন আউটের জন্ম দিয়েছিলেন, তার নাম অনুসারে আউটের নামকরণ হয়েছে ‘মানকাডিং’।

ননস্ট্রাইক ব্যাটসম্যান যদি বোলিংয়ের সময় কিছুটা বেরিয়ে যান, তবে বল না করে বোলার স্ট্যাম্প ভেঙে দিলেও ক্রিকেটীয় আইনে সেটা আউট। একেই বলে ‘মানকাডিং’।

কোনো ম্যাচে বিতর্কিত এই আউটের আশ্রয় যদি বোলার নেন, তবে কয়েক ম্যাচ পর্যন্ত সেটার সমালোচনা চলতে থাকে। বিপক্ষেই বেশি, যদিও পক্ষেও লোক পাওয়া যায় না এমন নয়। তবে নিঃসন্দেহে ভদ্রলোকের খেলা ক্রিকেটে এমন অভদ্র আউট সমালোচনার যোগ্য।

এক ম্যাচে একটা হলেই সমালোচনা, যদি এক ইনিংসে চারটি হয়? আর সেটাও যদি করেন একজন বোলারই! এমন ঘটনা কি কখনও দেখেছেন? অবিশ্বাস্য মনে হলেও সেটা ঘটেছে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে।

রোববার বাছাইপর্বের আফ্রিকান অঞ্চলের ম্যাচে উগান্ডার বিপক্ষে কাণ্ডটা ঘটিয়েছেন ক্যামেরুনের ১৬ বছর বয়সী মায়েভা দুমা! এই ম্যাচ দিয়েই আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছে তার।

ম্যাচে উগান্ডা এক পর্যায়ে ১৫.৩ ওভারে ১ উইকেটে ১৫৩ রানে ছিল। দুমা ওপেনিং ব্যাটসম্যান কেভিন আইওনোকে প্রথম আউট করেন মানকাডিংয়ে। ওই ওভারেরই শেষ বলে তিনি একইভাবে সাজঘরে ফেরান রিটা মাসামালিকে।

২০তম ওভারে এসে আরও দুই ব্যাটসম্যানকে মানকাডিংয়ের ফাঁদে ফেলেন দুমা। আউট করেন ইমাকুলেট নাকিসুয়ি আর জানাত এমবাবাজিকে। উগান্ডা নির্ধারিত ওভার শেষ করে ৬ উইকেটে ১৯০ রানে।

যদিও ওইসব আউটে তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি উগান্ডার। ক্যামেরুনকে তারা ১৪.৩ ওভারেই ৩৫ রানে গুটিয়ে দিয়ে পেয়েছে ১৫৫ রানের বিশাল জয়। কিন্তু ম্যাচের পর ওসব নিয়ে আলোচনা নেই। যত আলোচনা সব মায়েভা দুমার কাণ্ড নিয়ে।

সূত্র : জাগো নিউজ
এম এস, ১৩ সেপ্টেম্বর

Back to top button