দক্ষিণ এশিয়া

জান্তার ১১টি সেল টাওয়ারে হামলা চালালো মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থিরা

ইয়াঙ্গুন, ০৮ সেপ্টেম্বর- মিয়ানমারের জান্তার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের ডাক দেওয়ার পরদিনই সেনাবাহিনীর মালিকানাধীন কমিউনিকেশন (সেল) টাওয়ারগুলোতে হামলা হয়েছে। ন্যাশনাল ইউনিটি অব গভর্নমেন্ট (এনইউজি) গতকাল মঙ্গলবার অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী সামরিক সরকারকে উৎখাত করতে ‘জনতার প্রতিরোধ যুদ্ধে’র ডাক দেয়। এর পরদিন আজ বুধবার ১১টি সেল টাওয়ারে হামলা চালান বিক্ষোভকারীরা।

১ ফেব্রুয়ারি অং সান সু চির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির নেতৃত্বাধীন সরকারকে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে জেনারেল মিন অং হদ্মাইংয়ের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী। এরপর থেকে জান্তার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বিক্ষোভ, ধর্মঘট ও অসহযোগ আন্দোলন চলছে। এসব আন্দোলন দমনের নামে এ পর্যন্ত অন্তত ১০৪৯ বিক্ষোভকারীকে হত্যা করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। এদিকে উৎখাত হওয়া সরকারের মন্ত্রী ও এমপিসহ বিভিন্ন গোষ্ঠীর নেতাদের নিয়ে গঠিত ছায়া সরকারই ওই গণঅভ্যুত্থানের ডাক দেয়।

বিক্ষোভকারীরা বলেন, আমরা সাগেং অঞ্চলে সামরিক বাহিনী মালিকানাধীন মাইটেলের ১১ সেল টাওয়ারে হামলা চালিয়েছি। ওই হামলার সঙ্গে সংশ্নিষ্ট একজন বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য সেনাবাহিনীর ব্যবসা ধ্বংস করা। তাদের ব্যবসাই তাদের ক্ষমতায়নকে সহায়তা করে। তাই আমাদের এটাই নষ্ট করতে হবে।’ স্থানীয়রা দুটি সেল টাওয়ার নষ্টের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গতকাল মঙ্গলবার এনইউজির ভাইস প্রেসিডেন্ট দুয়া লাসি লা টুইট বার্তায় গণবিপ্লবের ডাক দেন। এরপরই আঞ্চলিক সংস্থা আসিয়ান ও পশ্চিমা সবপক্ষকে শান্ত থাকতে এবং সংঘাতকবলিত এলাকায় ত্রাণ সহায়তা পাঠাতে সহায়তা করতে আহ্বান জানিয়েছে। আসিয়ানের সদস্য ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টেউকু ফাইজাসিয়া বলেন, সবপক্ষকে মিয়ানমারের জনগণের নিরাপত্তা ও কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

মিয়ানমারে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত পিট ভাউয়েলস বলেন, আমরা জান্তার ক্ষমতা দখল ও নিষ্ঠুরতার নিন্দা জানাই। পাশাপাশি সবপক্ষকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানাই।

সূতরঃ কালের কণ্ঠ

আর আই

Back to top button