নারায়নগঞ্জ

হাসেম ফুড কারখানায় পুড়ে যাওয়া ভবন থেকে আরও তিনটি হাড়ের অংশ উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জ, ০৭ সেপ্টেম্বর – নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ কারখানার ভেতর থেকে আরও তিনটি পুড়ে যাওয়া হাড়ের অংশ উদ্ধার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) এই হাড়গুলো উদ্ধারের পর ডিএনএ টেস্টের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিআইডির নারায়ণগঞ্জ জোনের পুলিশ সুপার মো. দেলোয়ার হোসেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার সকাল থেকে সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিস ও রূপগঞ্জ থানা পুলিশের সহায়তায় আগুনে পুড়ে যাওয়া হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজের সেজান জুস কারখানার ছয়তলা ভবনের নিচতলা থেকে ছয়তলা পর্যন্ত দিনব্যাপী তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। এ সময় ভবনের চতুর্থ তলার এক কোনায় মরদেহের তিনটি হাড়ের অংশ উদ্ধার করা হয়।

সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. হারুন অর রশিদ জানান, চার-পাঁচ দিন আগে সেজান জুস কারখানার শ্রমিক মহিউদ্দিন, সাজ্জাদ ও লাবণির পরিবারের অভিভাবকরা মামলার তদন্তকারী সংস্থা সিআইডির কাছে একটি আবেদন করেন। এই কারখানায় কর্মরত ওই তিন শ্রমিক আগুন লাগার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সিআইডি ফায়ার সার্ভিসকে চিঠি দেয়। মঙ্গলবার সকাল থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম এবং রূপগঞ্জ থানা পুলিশের সহায়তায় ভবনটিতে চিরুণি অভিযান চালিয়ে তল্লাশি করা হয়। ভবনের চতুর্থ তলা থেকে তিনটি হাড়ের অংশ উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পুড়ে যাওয়া ভবনটির নিচতলা থেকে ষষ্ঠতলা পর্যন্ত বিপুল পরিমাণ ফিনিসড গুডস রয়েছে। যে কারণে তল্লাশি চালাতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিআইডিকে হিমশিম খেতে হয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৮ জুলাই বিকাল সাড়ে ৫টায় হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজের সেজান জুস কারখানায় আগুন লাগে। আগুন লাগার পর ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে তিন জন নিহত হন এবং পরের দিন ভবনের চতুর্থ তলা থেকে আগুনে পুড়ে যাওয়া ৪৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ৫১ জনের মধ্যে ৪৫ জনের মরদেহ ডিএনএ টেস্টের পর নিহতের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন
এম ইউ/০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

Back to top button