বরিশাল

বরিশালে ৫ নদীর পানি বিপদসীমার উপরে, তলিয়ে গেছে লোকালয়

বরিশাল, ০৭ সেপ্টেম্বর – বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় ৫টি নদীর ৯ পয়েন্টে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে। তলিয়ে গেছে চরাঞ্চল। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ এবং ভরা অমাবশ্যা জো’র প্রভাবে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। থেমে থেমে বৃস্টি হচ্ছে। সমূদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে।

বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দক্ষিনাঞ্চল জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম সরকার বলেন, সোমবার বিকেল পৌনে ৩টায় ভোলার তজুমুদ্দিনে সুরমা ও মেঘনা নদীর পানি ০.৬২ সেন্টিমিটার এবং ৩টায় একই নদীর দৌলতখানে ০.৬৭ সেন্টিমিটার বিপদসীমা অতিক্রম করে।

একইভাবে বিষখালী নদীর পাথরঘাটা পয়েন্টে সকাল সোয়া ১০টায় ০.৪৮ সেন্টিমিটার, বরগুনা পয়েন্টে সকাল পৌঁনে ১১টায় ০.০২ সেন্টিমিটার, বেতাগী পয়েন্টে বেলা পৌঁনে ১২টায় ০.১ সেন্টিমিটার ও ঝালকাঠি পয়েন্টে দুপুর ২টায় ০.১৭ সেন্টিমিটার, পিরোজপুরের কঁচা নদীতে বেলা সাড়ে ১২টায় ০.১৫ সেন্টিমিটার,

পায়রা নদীর বরগুনার আমতলী পয়েন্টে সকাল ১১টায় ০.০৭ এবং পটুয়াখালীর মীর্জাগঞ্জ পয়েন্টে একই নদীর পানি বেলা ১২টায় বিপদসীমার ০.১৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কীর্তনখোলা নদীর পানি সোমবার দুপুর আড়াইটায় বিপদসীমার ০.২০ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও বরিশাল নগরীর নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যায়। জোয়ারের পানি ড্রেন ও খাল দিয়ে প্রবেশ করায় নগরীর সদর রোড, হাটখোলা, আমানতগঞ্জ, পলাশপুর, রসুলপুর, ভাটিখানা, সাগরদী, ধানগবেষণা রোড, জিয়ানগর, ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোড, স্টেডিয়াম কলোনী, আগরপুর রোড, বগুড়া রোডসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক তলিয়ে যায়। এতে দুর্ভোগে পড়েন ওই সকল এলাকার বাসিন্দারা।

বরিশাল আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র অবজারভার প্রনব কুমার রায় জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ এবং আশ্বিনের ভরা অমাবশ্যা জো’র প্রভাবে থেমে থেমে বৃস্টি হচ্ছে। আগামী দুই-একদিন বৃস্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। সমূদ্র বন্দরে ৩ নম্বর এবং নদী বন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
এম ইউ/০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

Back to top button