চট্টগ্রাম

প্রথম দিনে টিকা পেল চট্টগ্রামের তিন হাজার শ্রমিক

চট্টগ্রাম, ২৯ আগস্ট – জুলাই মাস থেকে ঢাকা-গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্নস্থানে শ্রমিকদের আলাদাভাবে ভ্যাকসিন দেয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় শ্রমিকদের করোনা ভ্যাকসিনের আওতায় আনতে চট্টগ্রামেও কার্যক্রম শুরু করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

শনিবার প্রথম দিনে চট্টগ্রামের সিইপিজেড ও কর্ণফুলী ইপিজেডে কর্মরত প্রায় ৩ হাজার শ্রমিককে টিকা দেয়া হয়েছে।

জানা যায়, চট্টগ্রাম ইপিজেডের ১৫১টি প্রতিষ্ঠানের ১ লাখ ৬০ হাজার শ্রমিক কাজ করছে। টিকার নেয়ার জন্য বিভিন্ন কারখানায় এখন পর্যন্ত ৫০ হাজার শ্রমিক নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ করেছেন। আর প্রথমদিনে টিকা পেয়েছে প্রায় ২ হাজার শ্রমিক।

অন্যদিকে কর্ণফুলী ইপিজেডে ৫০টি কারখানায় কাজ করেন প্রায় ৭৫ হাজার শ্রমিক। এর মধ্যে ১ হাজার ২৯৮ জন শ্রমিক করোনার ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ পেয়েছেন।

প্রথম দফায় দুই ইপিজেডের ৫০ হাজার শ্রমিককে করোনার ভ্যাকসিন দেয়ার টার্গেট নিয়েছে জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়। তাদের চীনের সিনোফার্মার ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে।

বেপজার মহাব্যবস্থাপক মশিউদ্দিন বিন মেজবাহ জানান, শ্রমিকদের টিকা দেয়ার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে একটি নির্দেশনা রয়েছে। যদিও এখনও নির্দিষ্ট করে কোনো টিকার বরাদ্দ আসেনি।

যারা বন্দর হাসপাতালের অধিন টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন তাদেরকে টিকা দেয়া হয়েছে। এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।

কর্ণফুলী ইপিজেডের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, অনেকে নিজ উদ্যোগে টিকার জন্য নিবন্ধন করেছে। পাশাপাশি আমরাও নিবন্ধনের ব্যবস্থা করেছি। প্রথমদিনে ১ হাজার ২৯৮ জন শ্রমিক প্রথম ভ্যাকসিন নিয়েছেন। কারও কোনো সমস্যা হয়নি।

টিকা পাওয়ার পর শ্রমিকরা বলেন, রেজিস্ট্রেশন বা অন্য কোনো ধরনের জটিলতা থাকলেও নিজেদের কারখানায় টিকা পেয়ে আমরা খুশি। তারা বলছেন এই উদ্যোগের ফলে নিজেদেরকে সুরক্ষিত রেখে নতুন উদ্যমে কাজ করতে পারবেন।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বি বলেন, ইপিজেডের ভেতরেই বিশেষ ব্যবস্থাপনায় তাদের টিকা দেয়া হচ্ছে। আমরা প্রথম দফায় ৫০ হাজার ডোজ টিকা দেব। এরপর টিকাপ্রাপ্তি সাপেক্ষে সেখানে আরও শ্রমিকদের দেব।

দুই ইপিজেড ও আশপাশের কারখানায় ২ লাখের বেশি শ্রমিক আছে। পর্যায়ক্রমে সবাইকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার পরিকল্পনা আমাদের আছে। দ্বিতীয় ডোজও একই প্রক্রিয়ায় ইপিজেডের ভেতরে দেয়ার সিদ্ধান্ত আছে।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এন এইচ, ২৯ আগস্ট

Back to top button