উত্তর আমেরিকা

গণহারে সরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়ায় প্রাণহানীর ঝুঁকি: মার্কিন প্রেসিডেন্ট

ওয়াশিংটন, ২১ আগস্ট – আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের হামিদ কারজাই বিমানবন্দর থেকে গণহারে মার্কিনি ও দেশ ছাড়তে ইচ্ছুক আফগানদের সরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়ায় প্রাণহানীর ঝুঁকি আছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেন, ‘সরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া প্রাণহানীর ঝুঁকিবিহীন নয়।’

গত রোববার কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেয় তালেবানরা। এর পর থেকেই বিপুল সংখ্যক আফগান বিমানবন্দরে জড়ো হতে শুরু করেন। সৃষ্টি হয় বিশৃঙ্খল পরিবেশ। দেশ ছাড়ার জন্য মরিয়া আফগানরা বিমানের চাকার খাঁজে প্রবেশ করেন। এভাবে অন্তত দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

বিমানবন্দরে গুলিতে ও হুড়োহুড়ি করে পদদলিত হয়ে সব মিলিয়ে ১২ জন মারা যান। গত বুধ ও বৃহস্পতিবার বিমানবন্দরমুখি আফগানদের স্রোত কম থাকলেও শুক্রবার তা আবার বেড়ে যায়। তালেবানরা আফগানদের দেশ ছেড়ে না যাওয়ার অনুরোধ করলেও তারা তা শুনছেন না।

স্থানীয় সময় শুক্রবার হোয়াইট হাউসে বাইডেন কাবুল থেকে মার্কিনি ও আফগানদের সরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়াকে ‘ইতিহাসের অন্যতম কঠিন উদ্ধার অভিযান’ বলে বর্ণনা করেন। তিনি জানান, এরই মধ্যে ১৩ হাজার মার্কিনিকে কাবুল থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। গত রোববার থেকে মার্কিন সামরিক বিমানে করে তাদের সরিয়ে নেয়া হয়।

বাইডেন বলেন, ‘কোনো মার্কিনি যদি দেশে ফিরতে চান, তাহলে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী দেশ ছাড়তে ইচ্ছুক ৫০ থেকে ৬৫ হাজার আফগানদের ক্ষেত্রেও তাদের অঙ্গিকার রাখবে; তবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।’

বাইডেন বলেন, ‘কোনো ভুল করবেন না; এ উদ্ধার অভিযান ভয়ঙ্কর। এতে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর ঝুঁকি আছে এবং এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে।’ এ সময় তিনি বলেন যে, জীবনের ঝুঁকি নেই – এ কথা তিনি বলতে পারবেন না।

খবরে বলা হয়, এতো দ্রুততর সময়ে আফগানিস্তানের আশরাফ গানি সরকারকে হটিয়ে কাবুলের ক্ষমতা দখল করবে তালেবান, এমনটা ভাবেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি স্বীকার করেছেন, তাদের ধারণার চেয়ে আগেই পতন হয়েছে আফগানিস্তানের (আফগান সরকারের)।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এন এইচ, ২১ আগস্ট


Back to top button
🌐 Read in Your Language