জাতীয়

ভিকারুনিসার অধ্যক্ষের ‘ভাষা’ সত্যি হলে নিন্দনীয় : হাইকোর্ট

ঢাকা, ১০ আগস্ট – ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহার একজন অভিভাবক প্রতিনিধির সঙ্গে যে ভাষায় টেলিফোনে কথোপকথন করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে, সেটি সত্যি হলে অবশ্যই তা ‘অপ্রত্যাশিত এবং নিন্দনীয়’, বলে জানিয়েছেন হাইকোর্ট।

আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে এক রিট আবেদনের শুনানির সময় বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব কথা বলেন।

বিষয়টি পর্যবেক্ষণের পর হাইকোর্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গঠিত কমিটিকে ফাঁস হওয়া টেলিফোন কথোপকথনের বিষয়টি তদন্ত করে ৩০ আগস্টের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছে।

গত ২৬ জুলাই ভাইরাল হওয়া টেলিফোন কথোপকথনের বিষয়ে বিভাগীয় তদন্তের দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা চেয়ে করা রিট আবেদনের শুনানিতে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

রিটকারী পক্ষের আইনজীবী আব্দুল্লাহ হারুণ ভূঁইয়া জানান, আবেদনের বিষয়ে আদেশ প্রদান করে আগামী ১ সেপ্টেম্বর পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট বেঞ্চ।

এর আগে, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার হাইকোর্ট বেঞ্চকে জানান, এ বিষয়ে তদন্তের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কিন্তু সেই কমিটি এখনো পর্যন্ত তদন্ত শেষ করতে পারেনি।

মীর শাহাবুদ্দিন টিপুর সঙ্গে অধ্যক্ষ কামরুন নাহারের কথোপকথন ভাইরাল হওয়ার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের অবস্থান কী সে বিষয়ে গতকাল জানতে চেয়েছিলেন হাইকোর্ট বেঞ্চ।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবক মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম গত ৮ আগস্ট এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন এবং তদন্ত চলাকালীন ভিকারুন নিসার অধ্যক্ষকে দায়িত্ব পালন থেকে অব্যাহতি চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ কামনা করেন।

আজ আবেদনের ওপর শুনানির সময় আবেদনকারীর আইনজীবী আবদুল্লাহ হারুন ভূঁইয়া হাইকোর্টকে বলেন, ‘কথোপকথন ভাইরাল হওয়ার পর অধ্যক্ষ কামরুন নাহারের আর দায়িত্ব পালনের নৈতিক অধিকার নেই। কারণ তার অশ্লীল ভাষার ব্যবহার শিক্ষার্থীদের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে।’

সূত্র : দ্য ডেইলি স্টার
এম এউ, ১০ আগস্ট

Back to top button