জাতীয়

পরীমনির কস্টিউম ডিজাইনার জিমির বিরুদ্ধে মাদক মামলা

ঢাকা, ০৭ আগস্ট – বহুল আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনির কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ করিম জিমির বিরুদ্ধেও মাদক আইনে মামলা হয়েছে। শনিবার তার বিরুদ্ধে বনানী থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়। এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) শুক্রবার রাতে বনানী থেকে তাকে আটক করে।

এ বিষয়ে বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আজম মিয়া বলেন, পরীমনির কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ করিম জিমির বিরুদ্ধেও মাদক আইনে মামলা হয়েছে। মামলা নং ৮। জিমি বর্তমানে ডিবি হেফাজতে রয়েছেন।

এর আগে শুক্রবার রাতে জিমিকে গুলশানের একটি ফ্যাট বাসা থেকে আটক করে করে গোয়েন্দা পুলিশ। আটকের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ডিবি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর-রশিদ জানান, জিমি হাফপ্যান্ট পরে বোট ক্লাবে উশৃঙ্খল আচরণ করেছে, ক্লাবে ভাঙচুর করেছে, তাই তাকে আটক করা হয়েছে। তার বাসা থেকে মাদক উদ্ধার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৪ আগস্ট রাজধানীর বনানীর বাসায় অভিযান চালিয়ে চিত্রনায়িকা পরীমণিকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এসময় পরীমনির বাসা থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৩৩ বোতল বিদেশি মদ, ১৫০টি খালি মদের বোতল, ইয়াবা, এলএসডি এবং আইস উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও পরীমনির বনানীর বাসায় একটি মিনি বারের সন্ধান পায় র‌্যাব। সেখানে নিয়মিত পার্টির আয়োজন করা হতো বলেও জানায় র‌্যাব। গত ৫ আগস্ট সন্ধ্যায় নায়িকা পরীমণি ও তার ম্যানেজার আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে রাজধানীর বনানী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। একই থানায় আরেকটি মামলা করা হয় প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ এবং তার ম্যানেজার সবুজ আলীর বিরুদ্ধেও।

পরীমনির বাসায় নিয়মিত পার্টির আয়োজনের বিষয়ে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, ওইসব পার্টিতে রাজ এবং তার সহযোগীরা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ এবং নানা ধরনের মাদক সরবরাহ করত। এসব কাজে শরীফুল হাসান ওরফে মিশু হাসান এবং মাসুদুল ইসলাম ওরফে জিসান নামে দুজন সহায়তা করত। গুলশান, বনানীসহ বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় রাজ নিয়ন্ত্রিত সিন্ডিকেট ডিজে পার্টির আয়োজন করে তার আড়ালে অবৈধ মাদক সরবরাহ করত।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এন এইচ, ০৭ আগস্ট

Back to top button