Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

পাখিগ্রাম

পাখিগ্রাম
নানা প্রজাতির পাখি উড়ে উড়ে এক গ্রামে এসে থামে, ছোট বড় গাছ সব গাছে ওরা পাতার আড়ালে নামে।   বক বালি হাঁস ঘুঘু রাত চোরা কেউ একা একা কেউ জোড়া জোড়া   এসে খোঁজে বাসা অথবা বানায় গাছে গাছে জঙ্গলে, পাতার আড়ালে, কাণ্ডে, গর্তে নানা কলা কৌশলে।   এ রকম গ্রাম, অবিরাম যাতে পাখিদের আনাগোনা দিন রাতে,   মানুষ দিয়েছে সে গ্রামটিকে অপরূপ এক নাম, মুখে মুখে ফেরে পাখিভরা এই গ্রাম আজ পাখিগ্রাম।  এমএ/০৪:৫০/১২ জানুয়ারি

কাঁদে বাশুলির বাংলাদেশ

কাঁদে বাশুলির বাংলাদেশ
অভয়নগরে পূর্ণ তিথি রাত  তারাগুলো মৃদুলয় মান্দার ধ্বনির পাশে জোছনার অণুছিদ্রে কুয়াশা প্রাচীর বেদনার ভাটিতে বাঁশির ডাক চারিদিক চুপচাপ, ঘোরহীন উন্মুক্ত উদাস।   মধ্যরাতের অচেনা হিমে মেয়েটি আবেশ ভরে স্বামীর আদরে নয়কুড়ি মার্বেলের রূপকল্প আঁকে পেঁচার দূষিত শীষ নিরুচ্চার শীৎকারের বেশে ঘরের দাওয়া থেকে ঘুমের উদরে শৈশবের মতো নিঃশব্দে গড়ায়।   রাতের শেষ প্রহর অভয়নগরে গ্রহণের কাল…

রক্তি নদীর একলা মাঝি

রক্তি নদীর একলা মাঝি
ছোট ছোট দুঃখগুলো ইঁদুর ছিল এখন তারা বাঘ হয়েছে, খাবলে ধরে এখন তারা রক্তপায়ী সকাল-দুপুর, এখন তারা ওত পেতে রয়, দুঃখ এখন জাপটে ধরে ঘাড়ের ওপর দাঁত বসিয়ে হাসতে থাকে এমন উপদ্রবের মধ্যে কোথায় যাব কোথায় পাব কোথায় পাব নিবিড় নিবাস একটি রাতের একফালি চাঁদ, নিরীহ এক নীরব নদী পিরোজপুরের মাটির প্রদীপ ‘সাধের একতারা আমার...’ কোথায় গেছে একতারাটা, কোথায় এখন শীতের শিশির কাজলবরণ নৌকাখানি, ভালোবাসার উদার…

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ-এর কবিতা

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ-এর কবিতা
জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে মৃত্যুকে আর আমার কোনো ভয় নেই- যাকে আমি দেখেছি- একবার নয়, একাধিকবার খুব কাছে থেকে একেবারে একান্তভাবে- আলিঙ্গনরত প্রিয়তমার মতো। সৈনিক ছিলাম মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তে শিখেছি তখন। বন্দিজীবনে পাণ্ড্র– রোগকে আজরাইল রূপে দেখেছি- আল্লাহতা’লার ভর্ৎসনায় ফিরে গেছে আমাকে না নিয়েই- তারপর…

কুয়াশাঘুম

কুয়াশাঘুম
কুয়াশাঘুম ১ জীবন এক ছায়াবাজি-জন্ম ও মৃত্যুর আড়ালে কুয়াশা খেলা এই খেলা-আমিও খেলে যাচ্ছি রহস্যময়ী ছায়া ঘিরে। যতবার আমার ছায়া-এই দু’হাতে উপরে তুলতে চেয়েছি সে ততবারই মাটিতে লুটিয়েছিল নিজের মতো করে তাই ছায়াকে-আমারই মৃতদেহ মনে হয়। মনে পড়ে-কৈশোরে, শুকানো নৌকার পিঠে আলকাতরায় এঁকেছিলাম-মৃতদেহ। সেই নৌকাখানি আজ…

নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতা

নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতা
নজরুল সেনা জীবনে প্রবেশ করেন ১৯১৭ সালের অক্টোবর মাসে। তিনি ব্রিটিশ ভারতীয় সেনা বাহিনীর ৪৯ নম্বর বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদানের মাধ্যমে সেনা পরিবারের সদস্য হন। নজরুল ১৯২০ সালের মার্চ মাস অবধি করাচি সেনা নিবাসে সৈনিক জীবন যাপন করেন। তাঁকে সৈনিক জীবন স্থিরভাবে কাব্য ও জ্ঞান চর্চার সুযোগ এনে দিয়েছিল। নজরুলের…

ভাত দিও প্রভু  

ভাত দিও প্রভু
 
কোন অভিযোগ নেই, প্রার্থনা এই বোতামের ছিদ্রে কিছু ঘামের ফোঁটা পায়ের গোড়ায় শুকনো রক্তের রেখা দেখে বুঝে নিও সারাদিন খুব খেটেছি, নগরের ভেতরে ক্ষরিত, আলোড়িত, নিরক্ষর, মূলত প্রসাধন আর পোশাকের ভেতর শরীরটা খুব একা একা আজ বেশ হেঁটেছি ঢাকার রাস্তায় যানজটের পাশে ফুটপাতে বেশ শুয়েছি আয়নায় ক্ষুধা তো পুরনো অসুখ, মানুষের…

একটা বসন্তের রুগ্ন কর্মচারি

একটা বসন্তের রুগ্ন কর্মচারি
পরম্পরা ও পরমায়ু যেভাবে অপরাধ হয়ে উঠলো   এই জনদৌড় মহাসড়কে একটা সমুদ্রযাত্রাকে পেরেক মেরে বসিয়ে রেখেছে। একটা দেড় ঘণ্টার ভিতরে কতগুলো ভিড়ের ভগ্নাংশ আর প্রথার স্পার্ম জমে আছে! হে মাংসগণ, দেখ জন্ম আর জিঘাংসার পাস্তুরিত আরামে কী সুন্দর জলসা পেতেছো। দেখ। দেখ, অন্ধকারই ক্রমশ আলোকিত হয়ে আসছে। আলো নয়। তবু তোমরা…

ভালোবাসার গানগুলো গাইতে হবে এখনই

ভালোবাসার গানগুলো গাইতে হবে এখনই
শহীদ কাদরী। ১৯৫০–এর দশকের একজন প্রখ্যাত কবি। তাঁর বেশ কিছু কবিতা এখনো অপ্রকাশিত, কিছু অগ্রন্থিত। অপ্রকাশিত ও অগ্রন্থিত কবিতাবলি নিয়ে অচিরেই প্রথমা প্রকাশন থেকে বের হচ্ছে কবির শেষ মৌলিক কবিতার বই গোধূলির গান। কবির জন্ম ও মৃত্যুর মাসে সেই পাণ্ডুলিপির অপ্রকাশিত কয়েকটি কবিতা ছাপা হলো এই আয়োজনে .... আমাদের…

সেদিনও ভোর হবার কথা ছিলো

সেদিনও ভোর হবার কথা ছিলো
সেদিনও ভোর হবার কথা ছিলো এই বাংলার আকাশে আবহমান নিয়ম মত কিন্তু, কালো অন্ধকারের নেশাগ্রস্ত – ‘লাল-সবুজ’ বিদ্বেষী ‘পাক’ অনুগত হঠাৎ কিছু হায়েনার রক্ত পিপাসা জাগে-বাতাসে ভাসাতে রক্তের গন্ধ থমকে দিতে বাংলাদেশ। দীর্ঘায়িত করতে রাত। কণ্ঠ করতে স্তব্ধ। স্টেনগান হাতে উদ্ভ্রান্ত হায়েনার দল এসে ধানমন্ডি…

শহুরে পাখি আর গাঁয়ের পাখি 

শহুরে পাখি আর গাঁয়ের পাখি 
একটি পাখি শহর থেকে এলো আমার গাঁয়ে তাকে আমি আদর করে বসতে দিলাম ছায়ে। শহর জুড়ে বানের পানি শুকনো মাটি নেই ঘুরে ঘুরে একটু খাবার পাই না কিছুতেই। এই যে দেখ সবুজ শ্যামল মাঠ ফসলে ভরা চাষির হাতে যতন করে আদর দিয়ে গড়া। আপন মনে হেসে খেলে যা মনে চায় খাবে  এমন মজার খাবার তুমি কোথায় বল পাবে! থেকে গেল শহুরে পাখি গাঁয়ের পাখির…

ছেলেবেলা

ছেলেবেলা
কোথায় আমার হাওর-বাওড় কোথায় সবুজ বীথি, কোথায় আমার নবান্নের মাঠ শুকনো মাঠের সিঁথি। সবখানে আজ বসত বাড়ি বাগান বাড়ি কই! কোথায় আমার ছেলেবেলার কোলাহল হইচই। কোথায় আমার জবা বকুল হাসনাহেনা  জুঁই, স্মৃতির পাতা উল্টে এখন বিঁধছে বুকে সুই। কোথায় আমার ডাহুক ডাকা শিশিরভেজা ভোর, জলছিটানো সকাল বেলার কপাট খোলা দোর। পাই না…

 1 2 3 >  শেষ ›
Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে