Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৯-১২-২০১৬

ডনের উপরেই বাটপাড়ি! দাউদের ৪০ কোটি টাকা নিয়ে হাওয়া তারই লোক

ডনের উপরেই বাটপাড়ি! দাউদের ৪০ কোটি টাকা নিয়ে হাওয়া তারই লোক

নয়াদিল্লি, ১২ সেপ্টেম্বর- ‘ডি কোম্পানি’-তে ফুটো। আর সেই ফুটো গলে ‘ভ্যানিশ’ ৪০ কোটি টাকা। দাউদ ইব্রাহিমের লোক এই টাকা উঠিয়েছিল দিল্লির এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে। মোট ৪৫ লাখ টাকা নেওয়া হয়। এরপর ৪০ টাকা হাওলার মাধ্যমে বাইরে পাচার হয়ে যায়। আর ৫ কোটি টাকা দাউদ তার ‘পারিশ্রমিক’ হিসাবে নিয়ে নেয়। কিন্তু, হাওলার মাধ্যমে পাচার হয়ে যাওয়া এই ৪০ কোটি টাকারই এখন কোনও হদিস নেই। 

জাবর মোতি ও খালেক মহম্মদ নামে দাউদ ইব্রাহিমের দুই লোকের টেপবন্দি কথোপকথনে এই তথ্য সামনে এসেছে। ভারতীয় গোয়েন্দারা এই কথোপকথন টেপবন্দি করেন। 

কথোপকথনে ধরা পড়েছে, মোতি নামে লোকটি ফোনে খালেককে বলছে যে টাকা পাঠানো হয়েছে তার মধ্যে গোলমাল রয়েছে। কারণ, টাকার হিসেব মিলছে না। রেজ্জাক নামে দাউদের ঘনিষ্ঠ একজন অর্থের এই নয়ছয়কে সামনে এনেছে। এই ঘটনার জন্য মোতি ফোনেই খালিককে শাসায় এবং বলে, তার জন্যই সবকিছু হয়েছে। দাউদ ইব্রাহিমের নাম খারাপ করে দিয়েছে খালেক। 

দাউদের কালো টাকার ব্যবসার কর্মী হিসাবে খালেক মহম্মদ প্রায়ই নয়াদিল্লি থেকে শারজা যাতায়াত করত বলেও খবর। ফোনেই তার বিরুদ্ধে ওঠা দাউদের অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ উড়িয়ে দেয় সে। উল্টে টাকায় গোলমালের জন্য রেজ্জাকের উপরই দায় চাপায় খালেক। 

খালেক বলে, রেজ্জাক অর্থ জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু ভুলচুক করেছে। যার ফলে, পানামার ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট ব্লক হয়ে আছে। দিল্লিতে থেকে প্রায় ৮০ কোটি টাকারও বেশি সংগ্রহ করেছিল খালেক। এর অর্ধেক টাকা হাওলার মাধ্যমে পানামার একটি ব্যাংকে জমা হওয়ার কথা ছিল। বাকি অর্থ সারসরি দাউদের ব্যবসায় নিয়োগ হওয়ার কথা ছিল। আর ৫ কোটি টাকা দাউদের ফি’স হিসাবে থাকার কথা। এই বিপুল অর্থের মধ্যে পানামার ব্যাংকের ৪০ কোটি টাকার কোনও খোঁজ নেই।
 
ফোনেই মোতিকে আশ্বস্ত করে খালেক। দাবি করে, পানামার টাকার নিরাপদেই আছে। রেজ্জাক ইচ্ছে করলে টাকা তার কাছে নিয়ে নিতে পারে বলেও মোতিকে জানায় খালেক। 

কিন্তু, এর পর থেকেই নিখোঁজ খালেক। গত বছরের শেষের দিকে এই ঘটনা। এই মুহূর্তে খালেক মণিপুরের কোথাও লুকিয়ে রয়েছে বলে মনে করছে ‘ডি কোম্পানি’। ইতিমধ্যেই ‘ডি কোম্পানি’ তাদের দুই লোককে এই হারিয়ে যাওয়া ৪০ কোটি টাকার খোঁজে দিল্লি থেকে কানাডাও পাঠিয়েছিল। 

বেআইনি অস্ত্রের ব্যবসা, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়, বেআইনি মাদক ব্যবসার সঙ্গে সঙ্গে দাউদ এখন দেশের বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে থাকা কালো টাকাকে ‘হোয়াইট’ করে দেওয়ারও কাজ করে। এর জন্য নির্দিষ্ট কিছু কমিশন সে নেয়। কালো-টাকা ‘হোয়াইট’ হলে তা নিয়োগকর্তার কাছে ফেরত আসে। ৪০ কোটি টাকা এই ব্যবসারই বলে জানা গিয়েছে।

এফ/২২:৪২/১২ সেপ্টেম্বর 

দক্ষিণ এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে