Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৯-১১-২০১৬

বিশ্ব অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে আরো অবদান রাখবে চীন

বিশ্ব অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে আরো অবদান রাখবে চীন

বেইজিং, ১১ সেপ্টেম্বর- জি-টোয়েন্টি হাংচৌ শীর্ষসম্মেলন বর্তমানে বিশ্ব অর্থনীতির সম্মুখীন প্রধান সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদ্ধতি অনুসন্ধান এবং বিশ্ব অর্থনীতির ভবিষ্যত উন্নয়নে এগিয়ে যাওয়ার দিকনির্দেশনা দেওয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তাই ইউরোপীয় দেশগুলোর উচিত্ চীনের সঙ্গে সঙ্গত পদক্ষেপ বজায় রেখে বিশ্ব অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের জন্য চালিকাশক্তি যোগানো ।

ইউরোপীয় কমিশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং ইতালির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও অর্থনীতিবিদ রোমানো প্রোদি ৮ সেপ্টেম্বর সিআরআই-এর কাছে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে একথা বলেন।

সাক্ষাত্কারে প্রোদি বলেন, বিশ্ব অর্থনীতি ও আর্থিক ক্ষেত্রে জি-টোয়েন্টির পালিত ভূমিকা পশ্চিমা দেশগুলোর নেতৃত্বাধীন জি-এইট শীর্ষ সম্মেলনকে ছাড়িয়ে গেছে।
এবার হাংচৌয়ে জি-টোয়েন্টি শীর্ষসম্মেলন সুষ্ঠুভাবে চলেছে। বিশ্ব অর্থনীতির শক্তিশালী, টেকসই, ভারসাম্যপূর্ণ ও সহনশীলতা বৃদ্ধিতে চীন অবদান রাখা ছাড়াও, জলবায়ু পরিবর্তনসহ অনেক ইস্যুতে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছে।

প্রোদি বলেন, 'জি-টোয়েন্টি শীর্ষসম্মেলনের নির্ধারিত লক্ষ্য অনেক মহান, তা ছাড়া, তা আমাদের ভবিষ্যত উন্নয়নে অত্যন্ত তাত্পর্যসম্পন্ন। আসলে জি-এইট শীর্ষসম্মেলনের পরিবর্তে জি-টোয়েন্টি শীর্ষসম্মেলনের জন্ম হয়। জি-টোয়েন্টি গ্রুপে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে প্রধান অর্থনৈতিক সত্ত্বা রয়েছে এবং এর মোট অর্থনৈতিক পরিমাণ বিশ্বের ৮০ শতাংশ। তাই বলা যায়, শীর্ষসম্মেলনের ব্যাপক প্রতিনিধিত্ব আছে। পরিবেশ বান্ধব সমস্যায় অর্জিত মতৈক্যগুলো আমার মনে গভীর দাগ কেটেছে।'

প্রোদি মনে করেন, জি-টোয়েন্টি কেবল বিশ্ব পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনই নয়, তা ভবিষ্যতে সকল নীতিমালা নির্ধারণের সহায়কও বটে। তাই জি-টোয়েন্টিতে পরিচালনা সংস্থা ও স্থায়ী সচিবালয় স্থাপন করা খুব প্রয়োজন বলে প্রোদি জোর দিয়ে বলেন। তিনি মনে করেন, বিশ্ব অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে চীনের প্রচেষ্টা থেকে শিখতে হবে ইউরোপীয় দেশগুলোকে। তিনি বলেন, 'আমাদের আরো অনেক উন্নয়নের জায়গা আছে। যেমন, বর্তমানে জি-টোয়েন্টির স্থায়ী একটি সচিবালয়ের অভাব। সচিবালয় প্রতিষ্ঠিত হলে বিভিন্ন দেশের সম্পাদিত মতৈক্য ও নীতিমালা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হবে। অন্য একটি কথা বলা যায়, সচিবালয় জি-টোয়েন্টির কাঠামোয় বিশ্বের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমস্যা পরিচালনা করতে সক্ষম।'

জি-টোয়েন্টি শীর্ষসম্মেলনের পর চীনের অর্থনীতির উন্নয়নের দিক ও ভূমিকা প্রসঙ্গে প্রোদি বলেন, ভবিষ্যতে চীন বিশ্বের প্রথম বৃহত্তম অর্থনৈতিক সত্ত্বায় পরিণত হবে এবং চীনের কাঁধে দায়িত্বও আরো ভারী হবে। তাই দেশটির প্রথম কর্তব্য হলো বিশ্ব অর্থনীতির উন্নয়নে সাহায্য করা। তিনি বলেন, 'বর্তমানে বিশ্ব অর্থনীতির এক তৃতীয়াংশ প্রবৃদ্ধি চীন থেকে এসেছে। ভবিষ্যত উন্নয়নের দিক নিয়ে আমি মনে করি, চীনের সহযোগিতা জোরদার করে ধাপে ধাপে বিশ্ব অর্থনীতির ব্যবস্থায় মেশানো উচিত্। চীনের উচিত্ সঠিক সময়ে যাবতীয় ব্যবস্থা নিয়ে ক্রমশই বিশ্ব অর্থনীতির ব্যবস্থায় মেশানো।'

জি-টোয়েন্টি শীর্ষসম্মেলনের পর চীন ও ইতালির সহযোগিতার ভবিষ্যত প্রসঙ্গে প্রোদি বলেন, 'ইতালি ও চীনের সম্পর্কের উন্নয়নের প্রবণতা অনেক ভালো এবং এতে উন্নয়নের অনেক অবকাশও আছে। আর্থ-বাণিজ্যিক আদান-প্রদান দৃঢ় করে তোলার ভিত্তিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সংস্কৃতি এবং দ্বিপক্ষীয় পুঁজি বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করা উচিত্। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইতালি চীনের ওপর বেশি গুরুত্বারোপ করে আসছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে ইতালির সহযোগিতার মানের তুলনায় চীনের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতার মান নিম্ন পর্যায়ের। তাই অব্যাহতভাবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়ন করা উচিত্।' চায়না রেডিও

এফ/০৯:৫৫/১১ সেপ্টেম্বর

এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে