Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৯-১০-২০১৬

লেপ্টোসপাইরোসিস এর ৬ টি লক্ষণ এর বিষয়ে জানুন

সাবেরা খাতুন


লেপ্টোসপাইরোসিস এর ৬ টি লক্ষণ এর বিষয়ে জানুন

Leptospira নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে হয়ে থাকে লেপ্টোসপাইরোসিস। সাধারণত ইঁদুর, গরু, শুকর এবং কুকুর এর মাধ্যমে মানুষে ছড়ায় এই রোগ। এ ধরণের ইনফেকশনকে জুনোসিস ইনফেকশন বলে। লেপ্টোসপাইরা  ব্যাকটেরিয়া অনেক বছর জীবজন্তুর কিডনিতে বাস করতে পারে। ব্যাকটেরিয়া এই  প্রাণীদের প্রস্রাবের মাধ্যমে পানি, মাটি, গাছ-গাছড়া এবং কাঁদার মধ্যে ছড়ায়, যেখানে তারা কয়েকমাস পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে। প্রায়ই আক্রান্ত পশুতে অসুস্থতার কোন লক্ষণ দেখা যায়না। আক্রান্ত পশুর মল বা প্রস্রাবের সরাসরি  সংস্পর্শে মানুষের মধ্যে ছড়ায় লেপ্টোসপাইরোসিস। সাধারণত বর্ষাকালে এই রোগটি বেশি ছড়ায়। লেপ্টোসপাইরোসিস সংক্রমণের দুই সপ্তাহের মধ্যেই যে লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় তা হল :

১। জ্বর ও ব্যথা
আক্রান্ত ব্যক্তির উচ্চমাত্রার জ্বর থাকে এবং পেশীতে বা শরীরে ব্যথা হয়। ডেঙ্গুর মতোই হেমোরেজিক ফিভার হয় লেপ্টোসপাইরোসিস রোগে। লেপ্টোসপাইরোসিস এর অবস্থা খারাপ হলে শরীরে ব্যথা হয়।

২। তীব্র মাথাব্যথা ও শরীরঠান্ডা হয়ে যাওয়া
লেপ্টোসপাইরা ব্যাকটেরিয়া যদি শরীরের ভেতর প্রবেশ করে তাহলে তীব্র মাথাব্যথা ও শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার লক্ষণ দেখা যায়, যা কখনো এমনিতে ভালো হয়ে যায় না। লেপ্টোসপাইরোসিস একটি নিরাময়যোগ্য অসুখ। তবে প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা শুরু করা উচিৎ কিডনি বা লিভার ফেইলিউর এড়িয়ে যাওয়ার জন্য। লেপ্টোসপাইরোসিস মারাত্মক পর্যায়ে চলে গেলে তাকে ওয়েলস ডিজিজ বলে।

৩। র‍্যাশ
লেপ্টোসপাইরোসিস এ আক্রান্ত রোগীদের সারা শরীরে র‍্যাশ হতে দেখা যায়। কারণ  আক্রান্ত রোগীর রক্তের প্লাটিলেটের সংখ্যা কমে যায়। একে হেমোরেজিক র‍্যাশ ও বলা হয়।

৪। জন্ডিস
লেপ্টোসপাইরোসিস এ আক্রান্ত রোগীর জন্ডিস হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। তাদের চোখ ও ত্বকে হলুদ দাগ দেখা যায়। কিছুদিন পরে আক্রান্ত ব্যক্তির চোখ রক্তাভ  দেখায়।

৫। রক্তক্ষরণ
লেপ্টোসপাইরোসিসে আক্রান্ত ব্যক্তির মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়তে পারে। চিকিৎসা করা না হলে রোগীর আভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হতে পারে।

৬। বমি বা ডায়রিয়া
আক্রান্ত ব্যক্তির বমি ও ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা যায়। সময়মত চিকিৎসা করা হলে রোগী কয়েক দিনে থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। যদি চিকিৎসা নিতে দেরি হয় তাহলে সুস্থ হতে কয়েকমাস লেগে যেতে পারে। যদি রোগীর ফুসফুসে সংক্রমণ ছড়িয়ে যায় তাহলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।  

সতর্কতা :
১। যদি শরীরের কোন স্থানে কেটে যায় বা ক্ষত হয় তাহলে সে স্থানটি ভালো করে পরিষ্কার করে ওয়াটারপ্রুফ ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢেকে নিন।  

২। বর্ষায় পায়ে যেন নোংরা পানি না লাগে সেজন্য সু জুতা বা গামবুট পড়তে পারেন। বাহিরে যাওয়ার সময় রেইনকোট ও গ্লাভস পরে নিন।

৩। বর্ষায় পানিতে খেলাধুলা করলে দ্রুত গোসল করে নিন।

৪। কোন পোষা বা অন্য প্রাণীকে ধরার পরে হাত ভালো করে ধুয়ে নিন।

৫। খাওয়ার পূর্বে হাত ধুয়ে নিন।

আর/১০:১৪/১০ সেপ্টেম্বর 

সচেতনতা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে