Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৯-১০-২০১৬

যে শহরগুলো দখল করে নিয়েছিল পশু-পাখীরা

সাদিয়া ইসলাম বৃষ্টি


যে শহরগুলো দখল করে নিয়েছিল পশু-পাখীরা

পশু-পাখী আমাদের চারপাশে থাকবেই। কিন্তু তাদের উপস্থিতির একটা নির্দিষ্ট মাত্রা রয়েছে। কেমন হবে যদি কোন শহর পুরোপুরি ভরে যায় কোন নির্দিষ্ট পশু কিংবা পাখীতে? কেমন হবে যদি দলবেঁধে আক্রমণ করে কোন শহরকে প্রায় নিজেদের দখলেই নিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে পশু-পাখীরা? চলুন জেনে আসি বাস্তবেই ঘটে যাওয়া এমন কিছু ঘটনাকে যেখানে পশু-পাখীরা দখল করে নিয়েছিল শহর।

১। কাক যখন আতঙ্ক
২০১২ সাল। ক্যালিফোর্নিয়ার পেন্সিলভেনিয়া শহরে সেবার হঠাত্ করেই ঝাঁক বেঁধে কাক উড়ে আসতে শুরু করে। ছেয়ে যায় পুরো শহরের আকাশ। কাকেদের সম্মিলিত চিত্কার ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা হয় জনগনের। সেইসাথে কাকের শরীর থেকে শহরের জনগনের শরীরে ছড়িয়ে যেতে পারে রোগ- এমন আশঙ্কাতেও ছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে শীতকালের ভয়ানক শীতে শহরের উষ্ণতা পেতেই এমনটা করেছিল পাখীগুলো। তবে যে কারণেই করে থাকুক না কেন, কাকদের এমন উদ্ভট ব্যবহার থামাতে শেষ পর্যন্ত ঔষধি স্প্র ব্যবহার করতে বাধ্য হয় প্রশাসন। অবশেষে মুক্তি মেলে আকাশভরা কাকের হাত থেকে।

২। ভাল্লুক বাহিনীর আক্রমণ
রাশিয়ান-চাইনিজ সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত, সাইবেরিয়ার লিচেগোরস্ক শহর। ২০১৫ সালের এক শান্ত দিনে হঠাত্ করেই সেখানে আক্রমণ করে বসলো একে একে ৩৬ টি বুনো ভাল্লুক। কেবল বুনোই নয়, তারা ছিল ক্ষুধার্তো। বনে নিজেদের খাবারের মজুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় হামলা শুরু করে তারা লোকালয়ে। পুরো শহরটিকে দখল করে নিতে খুব একটা সময় লাগেনি তাদের। প্রথমে একটু ঘাবড়ে গেলেও খানিক বাদেই শহরের সবাইকে নিজ নিজ ঘরে অবস্থান করতে নির্দেশ দিয়ে ভাল্লুকদেরকে তাড়ায় এবং কিছু ভাল্লুককে মেরে ফেলতে বাধ্য হয় প্রশাসন। তবে তাতেও পুরোপুরি রক্ষা করতে পারেনি তারা শহরের নাগরিকদের। পাঁচজন মানুষ মারা যায় এই ঘটনায়।

৩। ডকার নদীর উটেরা
২০০৯ সালে অষ্ট্রেলিয়ার ডকার নদীর পাশের শহরটির জনগন বেশ অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে যখন প্রায় ৬,০০০ কিংবা তার বেশি উট প্রতিনিয়ত শহরের পানি আর খাবারে দূষণ ছড়াতে শুরু করে। সেই সাথে দিনকে দিন তাদের গতি-প্রকৃতিও হয়ে পড়ছিল বেশ উচ্ছৃংখল। এর কয়েক বছর আগে এই শহরটির বাসিন্দাদের চলাফেলার সুবিধার্তেই আনা হয় এই উটগুলোকে। পরবর্তীতে প্রযুক্তি উন্নত হলে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে তখন এত বেশি সংখ্যা ছিলনা উটগুলোর। পরবর্তীতে বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে বেশ বড় একটি স্থান দখল করে নেয় উটগুলো শহরের আর তৈরি করতে থাকে নানারকম সমস্যা। ফলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় উটগুলোর ব্যাপারে আর কিছু কিছু উটকে মেরে ফেলার কাজ শুরু করে সরকার বাধ্য হয়ে।

আর/১০:১৪/১০ সেপ্টেম্বর 

জানা-অজানা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে