Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (21 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৯-০৫-২০১৬

দগ্ধ ছাত্রী নিশা না ফেরার দেশে

মোঃ হাবিবুর রহমান খান


দগ্ধ ছাত্রী নিশা না ফেরার দেশে

কুমিল্লা, ০৫ সেপ্টেম্বর- ১১ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে করে না ফেরার দেশে চলে গেলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দগ্ধ ছাত্রী ফাহমিদা হাসান নিশা। বহু চেষ্টা করেও তাকে আর বাঁচানো গেল না। ১১ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে রোববার দিবাগত রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকালে কুবির প্রক্টর আইনুল হক নিশার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিশা ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার কসবা উপজেলার আসকিনা গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আবু হাসানের মেয়ে।

জানা যায় - ২৩ আগষ্ট ভোর ৬টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন সালমানপুর গ্রামে বিদ্যুৎ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম মৃধার ‘প্রশান্তি’ (মেস) নামের বাসার নিচতলায় বিস্ফোরণে ফাহমিদা দগ্ধ হন। এতে ওই ভবনের নিচতলার জানালার গ্রিল উড়ে যায় ও কাচ ভেঙে যায়।পরদিন কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই শহীদুল বাশার সন্ত্রাস দমন আইনে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনসহ ৩ ছাত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার ৩ আসামি হলেন নুরুন্নাহার, মর্জিনা আক্তার ও দগ্ধ ছাত্রী ফাহমিদা হাসান। ফাহমিদা হাসান নিশা অর্থনীতি দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিল। তাকেও এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল।

পুলিশ জানায়, গত ২৩ আগষ্ট সকালে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন সালমানপুর গ্রামে ‘প্রশান্তি’ নামের বাসার নিচতলায় বিস্ফোরণে দগ্ধ হন ফাহমিদা। বিস্ফোরণে নিচতলার জানালার গ্রিল উড়ে যায়, কাচ ভেঙে যায়। নিচতলায় মেস করে থাকতেন ছাত্রীরা। ঘটনার পরদিন কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানার পুলিশ সন্ত্রাস দমন আইনে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনসহ তিন ছাত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করে। ফাহমিদা ছাড়া মামলার অপর দুই আসামি নুরুন্নাহার ও মর্জিনা আক্তার। নুরুন্নাহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। মর্জিনা হিসাববিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। এই দুই ছাত্রী গ্রেপ্তার আছেন।

তাঁদের রিমান্ডেও নেয় পুলিশ। মর্জিনার বাড়ি কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার পেরুল গ্রামে। তাঁর বাবা আলী মিয়া। নুরুন্নাহারের বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার জগজীবনপুর গ্রামে। তবে তাঁর পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর রায়েরবাগসংলগ্ন মেরাজ নগরে থাকেন।পুলিশ সূত্র জানায়, ভয়াবহ তরল জাতীয় কিছু (হাই এক্সক্লুসিভ লিকুইড) বিস্ফোরিত হয়ে হয়তো ফাহমিদা হাসান দগ্ধ হয়েছিল। ঘটনার দিন ঢাকা থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সহকারী পুলিশ সুপার আবদুস সালামের নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে কিছু আলামত রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করে।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) শাহ আবিদ হোসেন বলেন, ভয়াবহ তরল জাতীয় কিছু বানাতে গিয়ে ফাহমিদা দগ্ধ হন। এ সময় পাশের কক্ষে থাকা নুরুন্নাহার ও মর্জিনা তাঁকে সহযোগিতা করেন। তিন ছাত্রীই ইসলামী ছাত্রী সংস্থার রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

আর/১৭:১৪/০৫ সেপ্টেম্বর 

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে