Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৯-০২-২০১৬

কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড বন্ধে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের আহবান

কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড বন্ধে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের আহবান

ঢাকা, ০২ সেপ্টেম্বর- জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। সংস্থাটির এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডামসের পক্ষ থেকে শুক্রবার এক বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়।

ব্র্যাড অ্যাডামস বলেন, ‘বাংলাদেশের অনেকে বিশ্বাস করে মীর কাসেম দোষী এবং তারা তার শাস্তি চায়। কিন্তু সেই বিচার হতে হবে নিরপেক্ষভাবে। অন্যায্য বিচারের মাধ্যমে দ্রুত মৃত্যুদণ্ড দিলে ভুক্তিভোগীদের কাছে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে।’

এর আগে জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লা, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, মতিউর রহমান নিজামী এবং বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগেও তাদের দণ্ড স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছিল সংস্থাটি।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, ‘বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১ সালের অপরাধের জন্য যে বিচার করছে সেটা ত্রুটিপূর্ণ। আন্তর্জাতিক মানের ন্যায় বিচার এখানে দরকার।’ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘যদি কাসেম আলীর বিচারে এতটুকু সন্দেহের ছায়া থাকে, তবে সেটা বন্ধ করা উচিত।’

মীর কাসেম আলীর মামলায় ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন প্রধান বিচারপিত সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। এই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ব্র্যাড অ্যাডামস দাবি করেছেন, কাসেম আলীর বিরুদ্ধে যে সাক্ষ্যপ্রমাণ হাজির করা হয়েছে তা ‘অর্ধসত্য’ এবং ‘দায়িত্বহীন’। কাসেম আলীর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের মামলা অসঙ্গতিপূর্ণ। ব্র্যাড অ্যাডামস বলেন, চট্টগ্রামে ডালিম হোটেলের নির্যাতনকেন্দ্রে যখন কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিমউদ্দিনকে হত্যা করা হয় তখন মীর কাসেম ঢাকায় ছিলেন।

মীর কাসেমের ছেলে মীর আহমেদ বিন কাসেমকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে তার পরিবার ও জামায়াতের পক্ষ থেকে। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, তাকে আটক করেনি কোনো বাহিনী।

তবে নিউম্যান রাইটস ওয়াচ জামায়াত ও কাসেম আলীর অভিযোগের ভিত্তিতে আহমান বিন কাসেমকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেছে। তারা বলেছে, ‘মীর আহমেদ বিন কাসেমকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারটি খুবই দুঃখজনক।’ অ্যাডামস বলেন, ‘সাধারণ মানুষকে নির্বিচারে গ্রেপ্তার করার নজির এটি। সাধারণত কোনো সরকার এটা পছন্দ করে না।’খবর-নয়া দিগন্ত।

আর/১০:১৪/০২ সেপ্টেম্বর 

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে