Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English
» নাসিরপুরের আস্তানায় ৭-৮ জঙ্গির ছিন্নভিন্ন মরদেহ **** ইমার্জিং কাপে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ       

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৯-০১-২০১৬

পদ্মাসেতু আমরা দেখে যেতে পারবো না  

পদ্মাসেতু আমরা দেখে যেতে পারবো না

 

ঢাকা, ০১ সেপ্টেম্বর- পদ্মাসেতু প্রকল্প আদৌ আলোর মুখ দেখবে না বলে মনে করেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এই সেতু প্রকল্পে কমিশন বাণিজ্যের জন্য ব্যয় বাড়ছে বলেও মনে করেন তিনি। বিএনপির ৩৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাজধানীতে এক আলোচনায় দলের চেয়ারপারসন এই কথা বলেন।

খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমাদের সরকারের আমলে এই সেতু নির্মাণে ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় ধরা হলেও এখন তা ৩২ হাজার কোটি টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। শেষ পর্যন্ত এই ব্যয় আরও বাড়বে। এই ব্যয় বাড়ছে কেন?

রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগের জন্য পদ্মা নদীর ওপর দেশের বৃহত্তম এই সেতুর নির্মাণ কাজ চলছে। সংযোগ সড়ক নির্মাণ ও নদী শাসনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন চলছে মূল সেতুর নির্মাণ কাজ। সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত ৩৭ শতাংশেরও বেশি কাজ শেষ হয়ে গেছে।

২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এই সেতু চালুর লক্ষ্য ঠিক করেছে সরকার। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আশা করছেন নির্ধারিত সময়ের আগেই এই সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

দুর্নীতি চেষ্টার অভিযোগে বিশ্বব্যাংক অধ্যায় শেষ হয়ে যাওয়ার পর সরকার নিজ অর্থায়নেই এই সেতুর নির্মাণ কাজ করছে। শুরুতে কেবল গাড়ি পারাপারের ব্যবস্থা রাখার কথা থাকলেও পরে রেললাইন রাখার সিদ্ধান্তও হয়েছে সেতুর। আর নতুন নতুন প্রকল্প নেয়ার পর নির্মাণ ব্যয়ও বেড়েছে। সবশেষ হিসাব অনুযায়ী এই সেতু নির্মাণে ২৮ হাজার ৭৯২ কোটি টাকা ব্যয় হবে।

তবে ব্যয় হলেও পদ্মাসেতু আদৌ হবে কি না সে সংশয়ের কথাও জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘আমরা এই সেতু দেখে যেতে পারবো না।’

এই সেতুর নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধির পেছনে দুর্নীতিই কারণ বলেও মনে করেন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, ‘তারা যে খুব ভালো ভালো জিনিস দিচ্ছে তা নয়, এখানে কমিশনের ব্যাপার আছে। টাকা ঢুকছে মানুষের পকেটে’। বিএনপি নেত্রী বলেন, ‘দুর্নীতির টাকা দেশে থাকলেও ভালো হতো। কিন্তু এই টাকা চলে যাচ্ছে দেশের বাইরে।’

খালেদা জিয়া বলেন, ‘এই সরকার দেশের স¦ার্থবিরাধী, জনগণ বিরোধী, উন্নয়নবিরোধী। একেকটা উন্নয়নের কথা বলে। কিন্তু প্রকল্প শেষ হয় না। কেবল কয়দিন পর পর খরচ বাড়ে।’

বাগেরহাটের রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়েও কথা বলেন খালেদা জিয়া। তিনি আবারও বলেন, এই বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরবনের ক্ষতি করবে। তিনি বলেন, ‘রামপাল নিয়ে আমি বক্তব্য দিয়েছি। তারা অনেক ব্যাঙ্গ করেছেন। কিন্তু আমরা যা যা বলেছি কোনো পয়েন্টে তারা সঠিক উত্তর দিতে পারেনি। এখনও বলবো রামপাল কয়লাবিদ্যুৎকেন্দ্র এখানে হওয়া উচিত না। তাতে ওই অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষতি হবে। এটা যদি হয় তাহলে সুন্দরবন শেষ হয়ে যাবে।’

খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমরা কোনা সময় বলিনি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করতে হবে। কিন্তু সেটা অন্য কোনো জায়গায় হতে পারে যেখানে পরিবেশ বা মানুষের কোনো ক্ষতি হবে না।’

খালেদা জিয়া বলেন, বর্তমান সরকার যে কয়টি চুক্তি করেছে তার একটির দেশের পক্ষে নয়। তার দাবি সবগুলো চুক্তিই দেশের বিরুদ্ধে, জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে করা হয়েছে। সেই চুক্তিগুলো কী সেটাও আমরা জানি না।’

খালেদা জিয়া বলেন, ‘এই বিদ্যুৎ প্রকল্পে অর্থায়ন করতে তিনটি দেশ রিফিউজ করেছে। এখন শুধুমাত্র আমাদের প্রতিবেশি দেশের একটি ব্যাংক অনেক বেশি সুদে টাকা দিচ্ছে। এখানে লাভ হলে ভাগ হবে আর লোকসান হলে আমাদের ঘাড়ে আসবে। প্রতিষ্ঠানটি পুরোপুরি লোকসান হবে।’

এফ/২২:৫০/০১ সেপ্টেম্বর 

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে