Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৮-২৫-২০১৬

হজফ্লাইট নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু আর ঘটবে না

হজফ্লাইট নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু আর ঘটবে না

ঢাকা, ২৫ আগষ্ট- হজ ব্যবস্থাপনা কিংবা হজফ্লাইট নিয়ে আর কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে না বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘হজ পালন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হোক- এটাই আমার প্রধান লক্ষ্য। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক।

আজ বুধবার হজের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে ধর্ম মন্ত্রণালয়। সেখানে হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন মন্ত্রী।

হজ ব্যবস্থাপনায় মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ঘুষ-দুর্নীতির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘দেখেন আমি পয়সা খাই না। কারও বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলে আমি সঙ্গে সঙ্গে তাকে ডিশমিশ করে দেব।’

সংবাদ ব্রিফিংয়ের পর মন্ত্রীর কাছে তার এপিএসের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ তুলে ধরেন একজন সাংবাদিক।  তিনি বলেন, হজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে কালো তালিকাভুক্ত হজ এজেন্সিগুলো মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে মুক্ত হয়েছে। মন্ত্রীর এপিএসের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আছে। এ বিষয়ে মন্ত্রীর অবস্থান জানতে চান ওই সাংবাদিক।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, “গত বছর বেশ কিছু এজেন্সির বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। তাদের অনেককে জরিমানাও করা হয়েছে। এ বছর কোনো এজেন্সি অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পিছপা হব না।”

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হাবের সভাপতিও। তার কাছে এক সাংবাদিক জানতে চান, “হজের অব্যবস্থাপনা নিয়ে হাব ধর্মসচিব ও হজ পরিচালককে দায়ী করার পরও তারা স্বপদে বহাল আছেন। তাহলে হাবের অভিযোগ ভিত্তিহীন কি না।

হাবের সভাপতি ইব্রাহিম বাহার তাদের আমাদের অভিযোগ সত্য দাবি করে বলেন, “এ কারণেই মন্ত্রী ২১ আগস্ট সকাল আটটা থেকে রাত পর্যন্ত আশকোনায় হজ অফিসে কাজ করেছেন। হজ পরিচালকের দপ্তরে প্রায় সাড়ে তিন শ ফাইল পেন্ডিং পান মন্ত্রী। তিনি ওই রাতের মধ্যেই সব ফাইল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।  আমাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রীর এসব পদক্ষেপের কারণেই পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক হয়েছে।”

হাবের এ অভিযোগ সত্যি হলে কেন সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘হজ পালন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হোক- এটাই আমার প্রধান লক্ষ্য। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাদের এখনই সরিয়ে দেয়া হলে চলমান সমস্যা আরও ঘনীভূত হতে পারে- এ আশঙ্কায় তাদের সরানো হয়নি। তবে পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। আমি হাব, হজ এজেন্সি ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করছে। আশা করছি সামনে আর অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা পুনরাবৃত্তি হবে না ।’

লিখিত বক্তব্যে ধর্মমন্ত্রী জানান, হজ ব্যবস্থাপনায় ১৫টি অতিরিক্ত স্লট পেয়েছে বাংলাদেশ। এ কারণে যে ১৩টি হজ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, সেসব ফ্লাইটের হজযাত্রী বহনে আর কোনো সমস্যা থাকবে না।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ বছর এখন পর্যন্ত ৯২ হাজার ৫৬৮ হজযাত্রীর ভিসা সম্পন্ন হয়েছে। হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। যেখানে আমি অভিযোগ পাব, সেখানে বসে সমাধান করব।”

সংবাদ সম্মেলনে সৌদি এয়ারলাইনসের ফ্লাইটগুলো ভরে গেলেও বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটগুলো কেন খালি গেছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে হাবের সভাপতি ইব্রাহিম বাহার জানান, হজ উপলক্ষে ডলারের বিনিময় মূল্য সৌদি বিমান নির্ধারণ করেছিল ৭৮ টাকা আর বাংলাদেশ বিমান নির্ধারণ করেছিল ৮০ টাকা। এ কারণে বিমানভাড়া সৌদি এয়ারলাইনসে  কম হওয়ায় অধিকাংশ যাত্রী সৌদি এয়ারলাইন্সে টিকিট কেটেছে। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে বাংলাদেশ বিমানও পরে টিকিটের দাম কমায়। কিন্তু, ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এ জলিল এবং হাবের সভাপতি ইব্রাহিম বাহারসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আর/১২:১৪/২৪ আগষ্ট

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে