Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৮-২৪-২০১৬

ফ্রান্সে কড়া নজরদারিতে মুসলমানরা

ফ্রান্সে কড়া নজরদারিতে মুসলমানরা

প্যারিস, ২৪ আগষ্ট- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের অনেক মসজিদের সামনেই পাহারা দিচ্ছে পুলিশ। মুসলমানরা সেখানে কড়া নজরদারির মধ্যে রয়েছেন। এমনকি নামাজ পড়তে আসা মুসলিম নারী-পুরুষদেরও নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। খবর বিবিসির। 

দেশটিতে মসজিদে বা নামাজ আদায়ের কক্ষগুলোতে আরো স্বচ্ছতার দাবি উঠেছে। মুসলিম সম্প্রদায় থেকেই এমন আহবান জানানো হচ্ছে।

ফরাসি মুসলিম ধর্ম বিষয়ক কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আনওয়া কিবিবেশ বলছেন, এখন ফ্রান্সের মুসলিমরা গভীর পর্যবেক্ষণের ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন। এসব মসজিদের তহবিল ব্যবস্থাপনা আর ইমাম নিয়োগের বিষয়টি তদারকির জন্য আলাদা একটি ফাউন্ডেশন স্থাপনেরও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

তিনি বলছেন, নতুন ফাউন্ডেশন ইমামদের যোগ্যতা আর অতীত যাচাই করে দেখবে। বিশেষ করে তারা কোন মতাদর্শের অনুসারী সেটি যাচাই করবে। তাদের জন্য একটি চার্টার নির্ধারণ করে দেয়া হবে যা একটি খোলামেলা ইসলাম, সহনশীল ইসলামের জন্য কাজ করবে। এতে করে ফরাসি মূল্যবোধ আরো সম্মানিত হবে। 

গত বছরের শেষের দিকে প্যারিসে ভয়াবহ হামলার ঘটনার পর ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় জরুরী অবস্থা ঘোষণা করা হয়। জরুরি অবস্থা এখনো বহাল রয়েছে। কিন্তু কথিত ইসলামিক স্টেটের (আইএস) নামে একাধিক হামলার ঘটনার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সেদেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর । 

ইউরোপের মধ্যে ফ্রান্সেই সবচেয়ে বেশি মুসলমানরা বাস করে। দেশটিতে আড়াই হাজারের বেশি মসজিদ রয়েছে। কিন্তু গতবছরের নভেম্বরে প্যারিসে ভয়াবহ হামলার পর থেকেই সেদেশের মসজিদগুলোর উপর নজরদারি শুরু করে কর্তৃপক্ষ।

বিদেশী অর্থায়নে পরিচালিত হয়ে থাকে এমন ২০টির বেশি মসজিদ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিয়েছে, ফ্রান্সের মসজিদগুলোর তহবিল লেনদেন তদারকির জন্য একটি বিশেষ কাউন্সিল ঘোষণা করা হবে। এই ঘোষণার নিয়ে বেশ বিতর্ক চলছে।

সম্প্রতি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখানকার বেশ কিছু মসজিদ বিদেশী সাহায্যে পরিচালিত হয়। মরক্কো, তুরস্ক, আলজেরিয়া বা সৌদি আরব থেকেই বেশি অনুদান আসে মসজিদগুলোতে। বছরে ৬০ লাখের বেশি ইউরো এসব মসজিদে আসে। এর বেশিরভাগই ইমামদের বেতন হিসাবে ব্যবহৃত হয়। অধিকাংশ ইমামদের নিয়োগও করা হয় বিদেশ থেকেই। তবে এসব ক্ষেত্রেই কড়াকড়ি আরোপ করতে চায় কর্তৃপক্ষ।

ইসলাম ভীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরির জন্য এগিয়ে এসেছে একটি প্রতিষ্ঠান। ওই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মারওয়ান মোহামেদ মনে করে, জঙ্গি হুমকি মোকাবেলায় এই উদ্যোগ কোন কাজে আসবে না।

তিনি বলছেন, বর্তমানে যেসব আইনকানুন আছে সেগুলোর মাধ্যমেই কর্তৃপক্ষ যেকোনো সন্দেহজনক লেনদেনের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পারে। কারণ ধর্মের বিষয়ে অন্ধ কোন আইন তো নেই। শুধুমাত্র মুসলিম হিসাবে সনাক্ত করে বা দাড়ি দেখে ব্যবস্থা নিলে সেটা ঠিক হবে না। উগ্রপন্থার কারণ মসজিদে নয় সমাজের ভেতরে রয়েছে। আগে সমাজের ভেতরের সেসব বৈষম্য দূর করতে হবে।

এফ/১৬:৪০/২৪আগষ্ট

ইউরোপ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে