Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৮-২৩-২০১৬

‘ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহে পুলিশের বিধিমালা বৈধ’

‘ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহে পুলিশের বিধিমালা বৈধ’

ঢাকা, ২৩ আগষ্ট- রাজধানীতে ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহে ডিএমপি’র বিধিমালা বৈধ বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত পূর্বে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে একই সঙ্গে কিছু পর্যবেক্ষণও দিয়েছে আদালত।আজ  মঙ্গলবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশিষ রঞ্জন দাসের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।

পর্যবেক্ষণে আদালত বলেছে, ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহে পুলিশের নেয়া যেকোন পদক্ষেপ আইনানুগ হতে হবে। বাড়ির মালিক ও ভাড়াটিয়াদের যে তথ্য পুলিশ সংগ্রহ করেছে সেগুলো কঠোর নিরাপত্তায় সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। যদি কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হয় তাহলে সে আইনের আশ্রয় নিতে পারবেন। 

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। রিট আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী হাসনাত কাইয়ূম ও ব্যারিস্টার অনীক আর হক ও আইনুন নাহার সিদ্দিকা ।

গত বছরের নভেম্বরে বাড়িওয়ালাদের মাধ্যমে ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করে ঢাকা মহানগর পুলিশ। এই প্রেক্ষাপটে ২০০৬ সালের ১৯ অক্টোবর জারি হওয়া ঢাকা মহানগর পুলিশের (নির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালার ৪ (খ) বিধির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ২০ মার্চ আরেকটি রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের তিন আইনজীবী আইনুন নাহার সিদ্দিকা, এস এম এনামুল হক ও সুপ্রকাশ দত্ত।

পুলিশ বিধিমালার ৪ (খ) ধারায় বলা হয়েছে, জনসাধারণের শান্তি বিঘ্নকারী যে কোনো উদ্যোগ প্রতিহতকরণসহ শান্তিপূর্ণ অবস্থা বজায় রাখার স্বার্থে ‘দ্রুত যে কোনো’ পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে। ওই ধারা সংবিধানের ২৬, ২৭, ৩২ ও ৪৩ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক দাবি করে রিট আবেদনটি করা হয়। 

প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হকের বেঞ্চ ২৭ মার্চ রুল দেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (নির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালার ৪ (খ)  ধারায় যুক্ত ‘যে কোনো’ শব্দটি কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে না- তা জানতে চাওয়া হয় রুলে।

আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক ও ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারকে এ  রুলের জবাব দিতে বলে আদালত।

রুল হওয়ার পরদিন ২৮ মার্চ রাষ্ট্রপক্ষ রুল বাতিল চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন।

গত ৭ এপ্রিল শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ হাইকোর্টে রুল নিষ্পত্তি করতে বলে। বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট  রুলের নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এই রুলের ওপর গত ৮ আগস্ট শুনানি শেষ হয়।

আর/১৭:১৪/২৩ আগষ্ট

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে