Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 2.8/5 (12 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৮-২২-২০১৬

“দেশের হাল জরুরি অবস্থার চেয়েও খারাপ”

“দেশের হাল জরুরি অবস্থার চেয়েও খারাপ”

কলকাতা, ২২ আগষ্ট- বিজেপি শাসনে দেশে ‘জরুরি অবস্থার থেকেও ভয়াবহ পরিস্থিতি’ চলছে বলে আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ নবান্নে রাজ্য প্রশাসনের সদর অফিসে বসেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করলেন তিনি৷ বেনজির আক্রমণে মমতার অভিযোগ, “স্বাধীনতার পর এত বড় বিপর্যয় হয়নি৷ মোদির রাজত্বে দেশবাসী পরাধীন৷ দেশটাকে বিক্রি করে দিয়েছে কেন্দ্র৷ গণতন্ত্রকে বিপর্যস্ত করতে বিপজ্জনক খেলা চলছে৷”

আগামী সোমবারই রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে সংবিধান লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ আনবেন তিনি৷ মমতার ক্ষোভের কারণ মূলত সম্প্রতি রাজ্যকে পাঠানো কেন্দ্রের চিঠি৷ চিঠিগুলিতে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাটছাঁট বা বরাদ্দ কমানো, রাজ্যের কোষাগারে কেন্দ্রের দুই পরিদর্শক পাঠানো ও বিডিও-র পাশে বসে কেন্দ্রের অফিসারের কাজ দেখার কথা রয়েছে৷ এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ধ্বংস করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে মমতা হুমকি দিয়েছেন, অন্য রাজনৈতিক দলগুলিকে নিয়ে রাস্তায় নেমে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে৷

উল্লেখযোগ্যভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে দেশের সব অবিজেপি রাজনৈতিক দলগুলিকেই একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী৷ মমতা আহ্বান করেছেন, “সমাজের সব শ্রেণির জোট বেঁধে সঠিক আন্দোলন গড়া উচিত যা গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে পারে৷ অন্য বিরোধী রাজ্য সরকারের সঙ্গেও কথা বলব৷ মানুষের স্বার্থে চাই, সব রাজ্যই মানুক৷ অন্য রাজনৈতিক দলগুলিরও ভেবে দেখা উচিত৷ রাস্তায় নেমে আন্দোলন করব৷ রাস্তাই রাস্তা দেখাবে৷”

রাজ্যকে পাঠানো তিনটি চিঠির উপর ভিত্তি করেই ক্ষোভ উগরে দেন মমতা৷ হুমকির সুরে বলেন, “অনেক দিন সহ্য করেছি৷ অনেক দূর যেতে পারি৷ চ্যালেঞ্জ তো হবেই৷” প্রধানমন্ত্রীর নাম করে এভাবে মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণ ও চ্যালেঞ্জ তাৎপর্যপূর্ণও বটে৷ তাঁর তোপ, “এত ঔত্য, অহঙ্কারী একনায়কতন্ত্রের সরকার আগে দেখিনি৷” সেই সূত্রে অবিজেপি শক্তিকে জোটবদ্ধও করতে চেয়েছেন৷ কেন্দ্রীয় প্রকল্প কমানো ও টাকা কমানোর বিষয়ে নীতি আয়োগের চিঠি নবান্নে আসার পরই প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন মুখ্যমন্ত্রী৷

মমতা এদিন সরাসরি অভিযোগ করেন, রাজ্যের ব্যাপারে নাক গলাচ্ছে কেন্দ্র৷ প্রধানমন্ত্রীর নামে প্রকল্পের নামকরণ হচ্ছে, অথচ সেখানে রাজ্যকেই টাকা দিতে হচ্ছে৷ জাতীয় ইস্যু তুলে ধরে এই প্রথম তিনি অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের নীতির জন্যই জম্মু-কাশ্মীরে হিংসা চলছে৷ কাশ্মীর নীতি ও পাকিস্তান নীতি ব্যর্থ হয়েছে৷ বিপর্যয় হয়েছে৷ পাঠানকোটের মতো ঘটনা ঘটছে৷ এছাড়াও কেন্দ্রের উপ-সচিব মর্যাদার অফিসারদের ১১ সপ্তাহ ধরে রাজ্যের কাজ দেখতে বিডিও বা অতিরিক্ত বিডিও হিসাবে নিযুক্ত করার বিষয়ে ১৫ জুলাই পাঠানো কেন্দ্রের চিঠিরও প্রতিবাদ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ মমতার প্রশ্ন, “তাহলে তো রাজ্য সরকারের থাকাই উচিত নয়৷”

আর/১২:১৪/২২ আগষ্ট

পশ্চিমবঙ্গ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে