Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English
» নাসিরপুরের আস্তানায় ৭-৮ জঙ্গির ছিন্নভিন্ন মরদেহ **** ইমার্জিং কাপে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ       

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৮-১৮-২০১৬

গ্লুকোমিটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে মনে রাখুন এই ৫ টি বিষয়

সাবেরা খাতুন


গ্লুকোমিটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে মনে রাখুন এই ৫ টি বিষয়

আপনি কি গ্লুকোমিটার কেনার কথা ভাবছেন এবং এর ব্যবহারের বিষয়েও কিছুটা চিন্তায় আছেন? এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, গ্লুকোমিটারের মাধ্যমে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নির্ণয় অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। গ্লুকোমিটার কেনার পূর্বে ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখা প্রয়োজন সে বিষয়েই জানবো আজ।

১। বাসায় একটি গ্লুকোমিটার থাকার সুবিধা হচ্ছে- নিজের সুবিধামত সময়ে দিনে অথবা রাতে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা পরীক্ষা করা যায়। তবে আপনার বাসায় গ্লুকোমিটার থাকুক বা না থাকুক ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আপনাকে নিয়মিত ল্যাব টেস্টও করাতে হবে। কারণ ল্যাব টেস্ট গ্লুকোমিটারের রিডিং এর চাইতে অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য। কারণ রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা যখন ৭০-১৫০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার থাকে গ্লুকোমিটার তখনই শুধুমাত্র নির্ভরযোগ্য ফলাফল দেয়। যদি আপনার রক্তের শর্করার মাত্রা এর চেয়ে কম বা বেশি হয় তাহলে ভুল রিডিং আসতে পারে।

২। গ্লুকোমিটারের সাহায্যে খাওয়ার পূর্বের ও খাওয়ার পরের রক্তের শর্করার মাত্রা নির্ণয় করা যায় খুব দ্রুত। যার ফলে রক্তের শর্করার মাত্রার পরিবর্তন লক্ষ করা  যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খালি পেটের রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা ১০০-১২০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার হয় এবং খাওয়ার পরের রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা ১৪০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার এর মধ্যে হয়। গ্লুকোমিটার ও ল্যাব রিডিং এর ক্ষেত্রে পার্থক্য খুব কম আসে বলে ঘরে গ্লুকোমিটারের মাধ্যমে ব্লাড গ্লুকোজ নির্ণয় করা যায়।

৩। ব্লাড গ্লুকোজের মাত্রা ৭০-১৫০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার এর কম বা বেশি হলে গ্লুকোমিটারের রিডিং এ পার্থক্য আসতে পারে এটা অনেকেই জানেন না। যদি আপনার ব্লাড গ্লুকোজের রিডিং ১৫০-২০০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার এর মধ্যে থাকে তাহলে ২০-৩০ ইউনিটের পার্থক্য থাকে এবং যদি ২৫০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার হয় তাহলে ৫০-১০০ ইউনিটের পার্থক্য দেখা যায়। এরকম ক্ষেত্রে ডাক্তারের সাথে কথা বলে ল্যাব টেস্ট করানো উচিৎ সঠিক রিডিং জানার জন্য। ব্লাড গ্লুকোজ রিডিং ৭০ mg/dl  এর নীচে হলেও একই রকম পার্থক্য দেখা যায়।

৪। গ্লুকোমিটার ব্যবহারের পূর্বে সাবান পানি দিয়ে হাত ভালো করে ধুয়ে ও মুছে  নিন। ব্লাড গ্লুকোজ মাপার পূর্বে উপকরণগুলো পরিষ্কার একটি কাপড় দিয়ে মুছে নিন। স্ট্রিপগুলো সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। তাপ ও আর্দ্রতার সংস্পর্শে থাকলে ভুল  রিডিং আসতে পারে। যদি গ্লুকোমিটারে কোডিং সিস্টেম থাকে তাহলে সঠিক কোড  ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করুন।

৫। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে খাওয়ার পর পরই ব্লাড গ্লুকোজ মাপা ঠিক নয়। যদি হাতে শর্করা জাতীয় খাবার লেগে থাকে তাহলে ভুল রিডিং আসার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে অনেক ব্র্যান্ডের গ্লুকোমিটার পাওয়া যায়। তাই গ্লুকোমিটার কেনার পূর্বে ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিন।

লিখেছেন – সাবেরা খাতুন

এফ/১৮:০৫/১৮আগষ্ট

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে