Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (35 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৮-১২-২০১৬

কিশোরী আর্জিনা কি তাহলে নিখোঁজ?

মোঃ খায়রুল ইসলাম


কিশোরী আর্জিনা কি তাহলে নিখোঁজ?

টাঙ্গাইল, ১২ অগাস্ট- তিনবছর আগে টাঙ্গাইল থেকে আশুলিয়া ঘোষবাগে দেলোয়ারের বাসায় গৃহপরিচালকার কাজ করতে গিয়ে নিখোজের ২৭ দিন পেরিয়ে গেলেও কেউ জানেনা কিশোরী আর্জিনা (১২) ভাগে কি ঘটেছে। বেঁচে আছে না কারো হাতে তুলে দেয়া হয়েছে তা সবাই এখন অজানা। তবে স্বজনদের সন্দেহের তীর বাসার মালিকের স্ত্রীর দিকে।

জানা যায়, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দুলালিয়া গ্রামের ভ্যান চালক আজিজুর রহমানের মেয়ে আর্জিনা খাতুন (১২) কে ১ হাজার ৫শ টাকা মাসিক বেতনে আশুলিয়া ঘোষবাগের দেলোয়ারের বাসায় কাজ দেন। কথা ছিল আর্জিনা সাবালিকা হলে তার বিয়ের যাবতীয় ব্যবস্থা দেলোয়ার হোসেন করবেন। গত দিনগুলি আর্জিনার ভালই কাটছিল। আশুলিয়া হতে তার বাবার সাথে কয়েকবার নিজ বাড়ীতে বেড়াতেও এসেছেন। তবে কোথায় একা যাওয়ার মতো রাস্তাঘাট চিনতো না সে। আশুলিয়া থানায় জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে গত ১৯ জুলাই সকাল ১০ ঘটিকায় আর্জিনা গ্রামের বাড়ি যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বরে হয়ে আর ফিরে আসেনি। বিষয়টি মেনে নিতে পারছেনা আর্জিনার বাবা আজিজুর রহমান। তিনি প্রতিবেদককে বলেন, ঘাটাইল থেকে আশুলিয়া যাওয়ার রাস্তা ঘাট কিছুই চিনেনা সে।

কোনদিন একা যায় নাই এবং আসেও নাই। ঐ দিন বাসার মালিক আমাদের কাউকে কিছু না বলে কিশোরী মেয়েকে বাসা থেকে একা ছেড়ে দিল কিভাবে? তিনি আরও বলেন আমাদের গ্রামের এবং আশেপাশের প্রায় ৫০ জন লোক আশুলিয়া ঘোষবাগে বিভিন্ন কর্ম করে বসবাস করেন এবং আর্জিনার ফুপা মজিবর রহমান নিজেও দেলোয়ারের বাসার পাশের বাসায় বসবাস করেন। ঐ দিন এমন কি জরুরী ছিল যাহা কাউকে বলার সময় ছিলনা তাদের। তাছাড়া আর্জিনাকে বিয়ে দেয়ার মৌখিক চুক্তিতে বাসায় কাজের জন্য নিলেও থানায় নিখোঁজের জিডিতে ভাড়াটিয়া উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, নিখোঁজের পরের দিন মালিক পক্ষ থানায় জিডি করলেও ৮ দিন পর একই কথা লিখে আমাকে দিয়ে ২য় বার জিডি করার কি দরকার ছিল। তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আর্জিনা যে ঘরে থাকতো আমি সে ঘরে যাইতে চাইলে মালিকের স্ত্রী আমাকে বার বার নিষেধ করে বলে ঐ ঘরে কবিরাজি করেছি। আর্জিনা ফাপর হয়ে একাই ফেরৎ আসবে। আমি জানালা দিয়ে উকি মেরে দেখি অন্য একটি মেয়ে শুয়ে আছে। বাসার কাজের ছেলে আছাদ কে জিজ্ঞাসা করলে একেক সময় একেক কথা বলে। এমন হাজারো প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে স্বজনদের মধ্যে। বাবা মার আকুতি তারা আর কিছুই চায় না শুধু মেয়েকেই ফেরত চায়।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার জিডি তদন্তকারী কর্মকর্তা (এস/আই) আনোয়ার মোল্লা হারানোর খবর নিশ্চিত করে বলেন, আইনের দিক থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে