Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৮-১১-২০১৬

গুলশান হামলার পর সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে: ইইউ

গুলশান হামলার পর সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে: ইইউ

ঢাকা, ১১ আগষ্ট- ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের দূত পিয়েরো মায়াদোন বলেছেন, গুলশান হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে তারা ‘সংকল্পবদ্ধ’। ‘সন্ত্রাসীদের শিক্ষা দিতে’ বাংলাদেশের জন্য ‘একত্রিত’ হতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

গুলশানের ক্যাফেতে হামলায় নিহতদের স্মরণে বুধবার ঢাকায় মেট্রোপলিটন চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) আয়োজনে এক সভায় বক্তব্য দেন মায়াদোন।

গত ১ জুলাই হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলায় নিহতদের মধ্যে ১৭ জনই ছিলেন বিদেশি, যাদের নয়জন ইতালির, সাতজন জাপানের ও একজন ভারতীয়। নিহত তিন বাংলাদেশির মধ্যে একজনের যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ছিল। অন্য দুই বাংলাদেশির মধ্যে ফারাজ আয়াজ হোসেনের মা সিমিন হোসেন এমসিসিআইয়ের কমিটির সদস্য।


Pierre Mayaudon

নজিরবিহীন এ হামলার পর পশ্চিমা দেশগুলো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করে বাংলাদেশে নাগরিকদের আসতে নিরুৎসাহিত করে। ভ্রমণ সতর্কতা প্রত্যাহারে পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে সভায় ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমদ বলেন, বাংলাদেশে সন্ত্রাসীরা সফল হবে না।

“আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা এখনও আশাবাদী। অনেক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ১ জুলাইয়ের হামলার আগের চেয়ে এখন বাংলাদেশ অনেক নিরাপদ।

“কিন্তু অনেক দেশ বাংলাদেশ নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা (রেড এলার্ট) জারি করেছে। এটা আমাদের ক্ষতি করছে। আমরা জোরালোভাবে ওই সব দেশের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি দয়া করে এসে দেখুন সরকার তার সর্বোচ্চটা করছে। এটা (সন্ত্রাস) শুধু বাংলাদেশে ঘটছে না।”

মাতলুব বলেন, “এটা একটা উন্নয়নশীল দেশ। এর ব্যবসা দরকার। দয়া করে বোঝার চেষ্টা করুন, বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা কথা দিচ্ছি, আপনাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সব বাংলাদেশির।”

গুলশানে নিহতদের ‘শহীদ’ অভিহিত করে ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, “রক্ত দিয়ে তারা বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের শক্তিশালী সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। “তাদের আত্মোৎসর্গ আমাদের জন্য বাড়তি বাধ্যবাধকতা তৈরি করেছে, এ বাধ্যবাধকতা ঐক্যের।”

আন্তর্জাতিক ঐক্যের মাধ্যমের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা হতে পারে মন্তব্য করে তিনি বলেন, সর্বোচ্চ মানের তদন্তের জন্য এটা হতে পারে।

বাংলাদেশের সঙ্গে থাকতে এফবিসিসিআই সভাপতির আহ্বানের প্রতিধ্বনি করে তিনি বলেন, “সন্ত্রাসী ও যারা তাদের প্ররোচিত করেছে তারা আমাদের একটি শিক্ষা দিতে চেয়েছিল। একসঙ্গে এর বিরুদ্ধে থেকে আমরা তাদের একটি শিক্ষা দেব।”

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট, ভারতের হাই কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলাও সভায় বক্তব দেন। ইতালির রাষ্ট্রদূত বলেন, “আমরা কেউ পিছপা হব না। বন্ধুতা ও স্বাধীনতার শত্রুরা কখনও জয়ী হবে না।

“বাংলাদেশের বন্ধুদের সঙ্গে আমরা একসঙ্গে থাকব। আমরা সবাই তাদের বিরুদ্ধে লড়ব।” যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত বার্নিকাট সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কথা চালিয়ে যেতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান।

“বর্তমান অনিশ্চয়তার জবাব ব্যবসা বন্ধ করা ও জনগণকে বিচ্ছিন্ন রাখা নয়। “সরকারের শক্তিশালী পদক্ষেপ বর্তমান সংকট উত্তরণ এবং ব্যবসায়ী ও সব বাংলাদেশির নিরাপত্তা নিশ্চিতে সহায়তা করবে।”

সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানের প্রশংসা করেন তিনি। বাংলাদেশের সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে ভারতের শক্তিশালী সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা।

এফ/০৭:২০/১১আগষ্ট

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে