Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৮-১১-২০১৬

রাগীব আলীকে দেশের শীর্ষ জালিয়াত বললেন মিসবাহ সিরাজ   

রাগীব আলীকে দেশের শীর্ষ জালিয়াত বললেন মিসবাহ সিরাজ 

 

সিলেট, ১১ আগস্ট- রাগীব আলীকে দেশের শীর্ষ জালিয়াত বলে আখ্যায়িত করেছেন সিলেট জেলা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ।

তারাপুর চা বাগানের ভূমি আত্মসাত ও বাগানের দেবোত্তর সম্পত্তিতে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের আলোচিত দুইটি মামলার শুনানীকালে বুধবার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ এমন মন্তব্য করেছেন। এসময় তিনি আরোও বলেছেন, উচ্চ আদালতও রাগীব আলীকে মহাজালিয়াত বলে অভিহিত করেছেন।

আদালতসূত্রে জানাগেছে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মিসবাহ সিরাজ সিরাজ মামলার শুনানীকালে বলেন, রাগীব আলীসহ অন্যান্য আসামীরা মামলা দুটি কোন শুনানীতেই হাজির হননি। রাগীব আলী তার অসুস্থতার স্বপক্ষে যে মেডিকেলের (রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) কাগজপত্র প্রদান করেছেন সেটিও তার জালিয়াতির ফসল।

শুনানীকালে মিসবাহ সিরাজ আদালতের কাছে রাগীব আলীসহ অন্যান্য আসামীদের জামিন বাতিল করে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যুর নির্দেশ প্রদান করেন। 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনীজীবীর আবেদনের প্রেক্ষিতে রাগীব আলীসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। রাগীব আলীর আইনজীবিরা আসামীদের অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় চেয়ে আবেদন করলে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্কের ভিত্তিতে সময় আবেদন মঞ্জুর করেননি আদালত।

রাগীব আলী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী চার্জ শুনানির পরবর্তী কার্যদিবস আগামী ২৩ আগস্ট নির্ধারণ করেছেন আদালত।

আদালত যাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন তাদের মধ্যে রাগীব আলী ছাড়াও রয়েছেন তার ছেলে আবদুল হাই, মেয়ে রেজিনা কাদির, জামাতা আবদুল কাদির, তারাপুর চা বাগানের সেবায়েত পঙ্কজ কুমার গুপ্ত ও রাগীব আলীর নিকটাত্মীয় মৌলভীবাজারের রাজনগরের বাসিন্দা দেওয়ান মোস্তাক মজিদ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ আদালতের কাছে বলেন, চলতিবছরের ২২ মার্চ মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক কোতোয়ালি জি আর ১১৪৬/২০১৫ মামলাটি চালু হয়। পরবর্তীতে আদালতের ধার্য্যকৃত কোন কার্যদিবসেই আসামীরা আদালতে উপস্থিত হননি। কার্যদিবসগুলো ছিল চলতিবছরের ৭ এপ্রিল, ২৫ এপ্রিল, ২৫ মে, ২৬ জুন।

মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ৪২২ দশমিক ৯৬ একর জায়গায় গড়ে ওঠা তারাপুর চা-বাগান পুরোটাই দেবোত্তর সম্পত্তি। ১৯৯০ সালে রাগীব আলী তার আত্মীয় দেওয়ান মোস্তাক মজিদকে ভূয়া সেবায়েত সাজিয়ে বাগানটির দখল নেন।

চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি উচ্চ আদালত তারাপুর চা বাগানে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা সব স্থাপনা ৬ মাসের মধ্যে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে জেলা প্রশাসন গত ১৫ মে চা বাগানের বিভিন্ন স্থাপনা ছাড়া ৩২৩ একর ভূমি সেবায়েত পঙ্কজ কুমার গুপ্তকে বুঝিয়ে দেয়।

এফ/০৭:২০/১১আগষ্ট

সিলেট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে